অভিনেত্রী ঝিলিকের রহস্যময় মৃত্যু, স্বামীর জামিন নাকচ
ছবি: সংগৃহীত
০৯:০০ পিএম | ২১ জুন, ২০২৬
ছোটপর্দা ও চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী আসমা ঝিলিকের রহস্যময় মৃত্যু চাঞ্চল্য তৈরি করেছে শোবিজ মহলে। অভিনেত্রীকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালের ৮ তলা থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। ঝিলিকের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামী সাফি উল্লাহ ওরফে মহব্বতকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। তার জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছে আদালত।
রোববার (২১ জুন) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে সাফি উল্লাহর পক্ষে তার আইনজীবী মোহাম্মদ ওবাইদুল্লাহ জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
শুনানি নিয়ে আদালত সাফির জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেয় বলে প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই আবুল বাশার জানিয়েছেন।
গত ১২ জুন দুপুরে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ তলার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় ঝিলিকের। এ ঘটনায় তার বড় ভাই মোজাম্মেল হক আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে ১৩ জুন ধানমন্ডি মডেল থানায় মামলা করেন। এ মামলায় অভিনেত্রীর স্বামী সাফি উল্লাহকে (৪৫) গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরদিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। রিমান্ড শেষে ১৪ জুন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পেটের ব্যথা নিয়ে ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন সাফি। সুস্থ হওয়ায় শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। এরপর ঝিলিক তার স্বজনদের হাসপাতালে বিলের জন্য ১৬ হাজার টাকা পাঠাতে বলেন। দুপুর সোয়া ১টার দিকে ঝিলিকের সঙ্গে ছোট বোন রেশমি আক্তারের ভিডিও কলে কথা হয়। এর ঘণ্টা খানেক পর সাফি তার শ্বশুরকে ফোন করে বলেন, ঝিলিক কেবিনের পেছনের খোলা বারান্দা দিয়ে পড়ে মারা গেছেন।
ছোট ও বড় পর্দা মিলিয়ে আসমা আক্তার ঝিলিক বেশকিছু কাজ করেছেন। চিত্রনায়ক শাকিব খান অভিনীত ‘রংবাজ’ সিনেমার একটি চরিত্রেও কাজ করেছেন তিনি।
অভিনয় জগতে কাজ করার সময় প্রযোজক সাইফুল্লাহকে ভালোবেসে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর সংসারে মন দেয়া ও স্বামীর অনাগ্রহে অভিনয় থেকে দূরে সরে যান অভিনেত্রী।
এমআই/টিএ