প্রেমের গুঞ্জনে ফের আলোচনার কেন্দ্রে কেটি-ট্রুডো
ছবি: সংগৃহীত
০৮:৩০ পিএম | ২৪ জুন, ২০২৬
মার্কিন পপতারকা কেটি পেরি ও কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সম্পর্ক নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তগুলো নিয়ে কিছু মহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে একটি বিদেশি গণমাধ্যম।
গত বছরের অক্টোবর মাসে প্যারিসে কেটি পেরির ৪১তম জন্মদিন উদ্যাপনের সময় হাতে হাত রেখে একটি অনুষ্ঠানে যেতে দেখা যায় দুজনকে। সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে জুলাইয়ে কানাডার মন্ট্রিয়লের একটি রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে নৈশভোজের ছবিও প্রকাশিত হয়েছিল। পরে সেপ্টেম্বর মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা উপকূলে একটি ইয়টে তাদের একসঙ্গে চুম্বনরত অবস্থার ছবি সামনে আসে।
মার্কিন ট্যাবলয়েড ন্যাশনাল এনকোয়ারার এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র দাবি করে, কেটি পেরি তার সম্পর্ককে অতিরিক্তভাবে প্রকাশ্যে আনছেন বলে কিছু ঘনিষ্ঠজন মনে করছেন।
সূত্রটি দাবি করে, তিনি প্রেমে আছেন, এটা ভালো বিষয়। কিন্তু কেন এত বেশি প্রকাশ্যে আনতে হবে, তা অনেকের বোধগম্য নয়। কেউ বলছে না যে তিনি নিজের সুখ লুকিয়ে রাখুন, তবে অনেকের ধারণা তিনি বিষয়টিকে একটু বেশিই প্রদর্শন করছেন।
প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়, কেটির সাম্প্রতিক কিছু আচরণকে তার সাবেক সঙ্গী অরল্যান্ডো ব্লুমের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ।

একই সূত্রের ভাষ্য, অরল্যান্ডো পুরো পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিণত ও মর্যাদার সঙ্গে সামলেছেন। কিন্তু কেটির আচরণ নিয়ে সবাই একই কথা বলবে না।এছাড়া সূত্রটি আরও দাবি করেছে, কেটি ও ট্রুডো বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে এমন ঘনিষ্ঠ আচরণ করছেন, যা আশপাশের কিছু মানুষকে বিব্রত করছে। যদিও এসব মন্তব্যের স্বাধীন কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
কেটে পেরি এর আগে রাসেল ব্রান্ডের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। পরে তার নাম জড়িয়েছে জন মেয়ার ও ডিপলোর। ২০১৯ সালে অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে বাগদান হলেও ২০২৫ সালে তাদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসে। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
অন্যদিকে জাস্টিন ট্রুডো দীর্ঘদিন কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিভিন্ন সময় সংবাদ শিরোনামে এসেছেন।
সম্প্রতি ফিফা বিশ্বকাপের একটি ম্যাচেও কেটি পেরির প্রতি নিজের সমর্থন প্রকাশ করেন ট্রুডো। কানাডার ম্যাচে না গিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ দেখতে যান, যেখানে প্রাক-খেলা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন কেটি।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ট্রুডো লিখেছিলেন, ‘কখনো কখনো একজন সহায়ক প্রেমিকের দায়িত্ব পালন করতেই হয়। তবে বিশ্বকাপ জিতুক, আমি জানি কাকে সমর্থন করছি।’
কেটি পেরি ও জাস্টিন ট্রুডো তাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি মন্তব্য না করলেও, তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তগুলো এখনও ভক্ত ও গণমাধ্যমের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট
এসএ/টিএ