© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৩ দেশের ওপর সৌদি আরবের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

শেয়ার করুন:
৩ দেশের ওপর সৌদি আরবের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৪৫ পিএম | ২৬ জুন, ২০২৬
ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানে নিজেদের নাগরিকদের ভ্রমণ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আগত ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন ভিসা প্রদান এবং সৌদি আরবে প্রবেশও স্থগিত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) এই তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, সংক্রামক রোগের আন্তঃসীমান্ত বিস্তার প্রতিরোধ এবং দেশের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে আসা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। যেসকল ভ্রমণকারী সৌদি আরবে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, উগান্ডা বা দক্ষিণ সুদানে অবস্থান করেছেন, তাঁরাও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ 'ওয়েকায়া জানিয়েছে, মহামারি প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দেশটির স্বাস্থ্য নজরদারি দল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বক্ষণিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।


ইবোলা পরিস্থিতির কারণে শুধুমাত্র আক্রান্ত দেশগুলোই নয়, বরং তাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে সৌদি আরব। আক্রান্ত দেশগুলোর নিকটবর্তী রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া এবং কঙ্গো প্রজাতন্ত্র থেকে আগত যাত্রীদের জন্য প্রবেশপথে বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগ পর্যবেক্ষণ এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া কার্যক্রম শক্তিশালী করা হয়েছে। ভাইরাসের প্রবেশ পথগুলো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে যেন কোনোভাবেই সংক্রমণ ছড়াতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


বর্তমানে সৌদি আরবের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছে ওয়েকায়া। দেশটিতে নতুন এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ হালনাগাদ করা হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সব ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে তারা।


সূত্র: গালফ নিউজ

টিজে/এসএন 

মন্তব্য করুন