বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির ২ শতাধিক নেতাকর্মী
ছবি: সংগৃহীত
১১:৪৩ পিএম | ২৬ জুন, ২০২৬
ঢাকা জেলা উত্তর এনসিপির যুবশক্তির সাবেক আহ্বায়ক সেঁজুতি হোসাইনের নেতৃত্বে প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে সাভারের ব্যাংক কলোনী এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। এ সময় সেঁজুতি হোসাইন ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং বিএনপিতে যোগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। উপস্থিত নেতাকর্মীরা নবাগতদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
সেঁজুতি হোসাইন বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় বিএনপির আদর্শ, কর্মসূচি ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি আস্থা রেখেই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে আরও বেগবান করা এবং দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতেই বিএনপির পতাকাতলে এসেছি। ভবিষ্যতে দলের নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বলেন, বিএনপি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী সব মানুষকে দলে স্বাগত জানাই। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাসহ যারা বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করেন এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চান, তাদের জন্য দলের দরজা সবসময় উন্মুক্ত।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নতুন, যোগ্য ও ত্যাগী নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করে। দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ান মইন উদ্দিন বিপ্লব, সাভার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদি, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি তমিজ উদ্দিন, সাভার থানা ছাত্রদলের সভাপতি মাশফি আহমেদসহ বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠান শেষে নবাগত নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দলীয় নেতারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে নেতাকর্মীদের বিএনপিতে যোগদানের ধারাবাহিকতা সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
আরআই/টিএ