© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নির্মাতা কে. ভাগ্যরাজ আর নেই

শেয়ার করুন:
নির্মাতা কে. ভাগ্যরাজ আর নেই

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৫ পিএম | ২৭ জুন, ২০২৬
তামিল চলচ্চিত্রজগতের অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার কে. ভাগ্যরাজ মারা গেছেন। ৭৩ বছর বয়সে চিরবিদায় নিলেন সাধারণ মধ্যবিত্তের চেনা গল্পকে পর্দায় অসাধারণ দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলার কারিগর।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভাগ্যরাজ। তার মৃত্যুতে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

মাত্র কয়েক দিন আগেই গোয়ায় অভিনেত্রী-রাজনীতিক খুশবু সুন্দরের মেয়ের বিয়ের দেখা গিয়েছিল বর্ষীয়ান এ নির্মাতাকে। কে জানতো, সেটিই হবে তার অংশ নেয়া শেষ সামাজিক অনুষ্ঠান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভাগ্যরাজ, ছেলে শান্তনু এবং মেয়ে সারন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
 
তামিলনাড়ুর ইরোড জেলায় জন্ম নেয়া কে. ভাগ্যরাজের পুরো নাম কৃষ্ণস্বামী ভাগ্যরাজ। চলচ্চিত্রে তার কর্মজীবন শুরু খ্যাতিমান পরিচালক ভারতীরাজার সহকারী হিসেবে। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতি তার আগ্রহ ও দক্ষতা বিকশিত হয়।
 
১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে তিনি পর্দায় ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেন। ১৯৭৭ সালে ‘১৬ ভায়াথিনিলে’ এবং পরের বছর ‘সিগাপ্পু রোজাক্কাল’ সিনেমায় ছোট চরিত্র দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক। তবে গল্প বলার নিজস্ব ঢং আর নিখুঁত চিত্রনাট্য তাকে দ্রুতই লাইমলাইটে নিয়ে আসে।
 
১৯৭৯ সালটি ছিল ভাগ্যরাজের ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট। ‘সুভারিল্লাধা চিত্রাঙ্গল’ দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি ‘পুধিয়া ভার্পুগাল’ সিনেমায় প্রথমবার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ২৫টিরও বেশি চলচ্চিত্র পরিচালনা এবং ৭৫টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন এক অনন্য উচ্চতায়।

শুধু দক্ষিণী সিনেমাতেই নয়, বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনকে নিয়েও ডাবল রোলের জাদু দেখিয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে ভাগ্যরাজের পরিচালনায় হিন্দি সিনেমা ‘আখরি রাস্তা’ বক্স অফিসে তুমুল সাড়া জাগায়।
 
নির্মাতা কে. ভাগ্যরাজের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আন্ধা ৭ নাটকাল’, ‘ইন্দ্রু পোই নালাই ভা’, ‘থুরাল নিন্নু পোচু’, ‘মুন্ধানাই মুদিচু’, ‘আখরি রাস্তা’ ইত্যাদি।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন