© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আর ডি বর্মণকে স্মরণ করে আবেগঘন কুমার শানু

শেয়ার করুন:
আর ডি বর্মণকে স্মরণ করে আবেগঘন কুমার শানু

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৩ পিএম | ২৭ জুন, ২০২৬
শেকড়টা বাংলাদেশে, আর প্রভাব পুরো উপমহাদেশে। তিনি রাহুল দেব বর্মণ। আর ডি বর্মন নামে শ্রোতাদের হৃদয়ে বেঁচে আছেন এই কালজয়ী সংগীতশিল্পী। তার সুর-সংগীত শুধু বাংলাই নয়, সমৃদ্ধ করেছে হিন্দি তথা বলিউডের ছবিকেও। আজ এ কিংবদন্তি সংগীত তারকার জন্মদিন।

আর ডি বর্মনের সঙ্গে অগণিত স্মৃতি আরেক নন্দিত গায়ক কুমার শানুর। প্রিয় শিল্পীর জন্মদিনে তাই স্মৃতির খাতা খুললেন শানু। জানালেন অনেক অজানা গল্প। আনন্দবাজারে লেখা ওই স্মৃতিকথায় শানু লিখলেন, ‘বাঙালির প্রতি তার ভালবাসা ছিল অগাধ। আমার সঙ্গে বাংলায় কথা বলে খুব আনন্দ পেতেন। তাছাড়া বাঙালি খাবারও খুব পছন্দ করতেন। মানুষ হিসাবে মনখোলা ছিলেন। সব সময়ে হাসিখুশি থাকতেন। আশপাশের মানুষকে খাওয়াতেও খুব ভালবাসতেন। নিজে রেঁধে খাওয়াতেন। তার রান্না করা মাটনের স্বাদ আজও আমার মুখে লেগে আছে। যে মানুষ আদর করে অন্যদের খাওয়ান, তার মন কেমন, তা তো বোঝাই যায়। পঞ্চমদাও ছিলেন তেমনই। আমি যখনই যেতাম, আগলে নিতেন। হৃদ্যতা ছিল আমার সঙ্গে। শুধু আমাকে নয়, সকলকেই আপ্যায়ন করতেন। এই জন্যই তিনি সকলের চেয়ে আলাদা।’

কুমার শানু জানান, ছোটবেলা থেকেই আর ডি বর্মনের গান শুনতেন। সেই থেকেই তার প্রতি মুগ্ধতা। মুম্বাই জীবনের শুরুর দিকের গল্প জানিয়ে গায়ক বলেন, “রেকর্ড (গানের রেকর্ডকৃত ফরম্যাট) নিয়ে স্টুডিও পাড়ায় ঘুরতাম। সব স্টুডিওতে গিয়ে নিজের গানের রেকর্ড দিয়ে আসতাম। এভাবেই এক দিন পঞ্চমদার সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করি। বুঝেছিলেন, আমি বাঙালি। বাংলাতেই বলেছিলেন, ‘বসো বসো। রেকর্ডিং দেখো বসে।’ সেই প্রথম আলাপ। এর পর থেকে তার কোনও গানের রেকর্ডিং হলেই আমি স্টুডিওতে চলে যেতাম। বেঞ্চে বসে তার রেকর্ডিংয়ের অভিজ্ঞতা দেখতাম।”

কুমার শানু জানান, প্রত্যেক শিল্পীর কণ্ঠের ধরন বুঝে গান গাওয়াতেন আর ডি বর্মন। ‘১৯৪২: আ লাভ স্টোরি’ ছবিতে তার সুরেই গেয়েছিলেন শানু। সে গান (এক লড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লাভা) কালের সীমানা জয় করে আজও সবার মুখে মুখে। এখনো প্রতিটি অনুষ্ঠানে এই গান গেয়ে আর ডি বর্মনকে স্মরণ করেন শানু।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন