© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জামায়াতকে প্রশ্ন স্বাস্থ্যমন্ত্রীরপ্রতিটি জিনিসকে কেন নিজেদের দলীয় আদর্শের সঙ্গে একীভূত করেন?

শেয়ার করুন:
প্রতিটি জিনিসকে কেন নিজেদের দলীয় আদর্শের সঙ্গে একীভূত করেন?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:২৪ পিএম | ২৮ জুন, ২০২৬

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রতিটি জিনিসকে কেন নিজেদের দলীয় আদর্শের সঙ্গে একীভূত করেন? দলীয় আদর্শ দিয়ে দেশের বিরোধিতা করা যায় না, যা করেছেন ৭১ সালে।

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘আজকে অনেক সংসদ সদস্য আদ্-দ্বীন নিয়ে কথা বলেছেন। বলেছেন, ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় তারা ডায়ালাইসিস করায়, সত্য। মাথাব্যথায় কি মাথা কেটে ফেলা যায়? না, কাটা যায় না।

তবে যারা মাথা কাটে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে, নাকি অস্বীকার করবেন? করতে পারেন না। আনতে হবে।’

সম্প্রতি হাসপাতালটিতে চিকিৎসকদের গাফিলতি, সেন্ট্রাল এসি বন্ধ থাকা এবং পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবে একই দিনে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার বিবরণ দেন স্বাস্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভেতরে সব নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে কিভাবে বাণিজ্যিক বেকারি কারখানা ও বিপজ্জনক প্লাস্টিক বর্জ্যের স্তূপ গড়ে তোলা হয়েছে, তা সংসদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত মে মাসে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে চরম অবহেলা এবং অসতর্কতার কারণে ছয়টি মায়ের বুক খালি হয়েছে। হাইপারক্যাপনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে যখন শিশুগুলোর হাত-পা কাঁপছিল, তখন সেখানে এসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কোনো সচল জানালা ছিল না এবং ছিল না কোনো জরুরি অক্সিজেন সাপোর্ট। ১৬ থেকে ১৭ জন মা যখন তাদের সন্তানদের বাঁচানোর জন্য চত্বরে কাঁদতে কাঁদতে ছোটাছুটি করছিলেন, তখন সেখানে কোনো অন-ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি, এমনকি নার্সরাও ডাকলে সাড়া দেননি।’

তিনি বলেন, ‘কার্বন ডাই-অক্সাইডের বিষক্রিয়ায় ছটফট করতে করতে নিরীহ শিশুগুলো মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।’ ঘটনার পরদিনই নিজে হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এই গুরুতর অবহেলার প্রমাণ পেয়েছেন বলে সংসদকে অবহিত করেন মন্ত্রী।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম ঘটনার পরও হাসপাতালের মালিকপক্ষ ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো বা সান্ত্বনা দেওয়ার ন্যূনতম নৈতিক সৌজন্যতা দেখায়নি।

এসএন 

মন্তব্য করুন