© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৩৬ হাজার প্রধান শিক্ষককে পদোন্নতি, ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবো: মন্ত্রী

শেয়ার করুন:
৩৬ হাজার প্রধান শিক্ষককে পদোন্নতি, ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবো: মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:১৭ পিএম | ০২ জুলাই, ২০২৬
আদালতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষককে পদোন্নতি এবং ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রাথমিক নয়, মাধ্যমিকেও শিক্ষক সংকট রয়েছে। আজকেই রিকুইজিশন তৈরি করতে সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’ দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে নিয়োগ চালুর জন্য মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করবে বলেও জানান এহছানুল হক মিলন।
 
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক থেকেই আনন্দময় এবং নৈতিক শিক্ষাকে সমন্বয় করে নতুন কারিকুলামের ব্যাপারে কাজ করছে সরকার। সবসময় এসএসসির পরে এইচএসসিতে ড্রপআউট হয়। সামাজিক ও পারিবারিক নানা কারণে হতে পারে। তবে হঠাৎ করে বড় ধরনের ড্রপআউট অবশ্যই ভাবনার বিষয়। এটা অবশ্যই খারাপ সূচক।’
 
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা। ৩৬ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক ছাড়া অচল ছিল। বড় জটিলতা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পেরেছি।’
 
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আদালতের রায়ে আইনি বাধা দূর হয়েছে। বিপুল সংখ্যক যে নিয়োগ আটকে আছে সেটিকে সরকারের সব মহল থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সমস্যার সমাধানে কাজ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা এই মুহূর্ত থেকে দূর হয়েছে। মন্ত্রণালয় এই মুহূর্ত থেকে কাজ শুরু করতে পারবে, কোনো আইনি জটিলতা হবে না।’
 
২০১৩ সালের এক বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান হবে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে। একদল শিক্ষকের রিট আবেদনে বিধিমালার ওই ধারা অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন হাইকোর্ট। ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আটকে যায়।
 
এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করে হাইকোর্টের ওই রায় বালিত করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে ২০১৩ সালের বিধিমালার ওই ধারা বহাল থাকছে। আর সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর আইনি কোনো বাধা থাকল না।

আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন