© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আগামী সপ্তাহে উত্তরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

শেয়ার করুন:
আগামী সপ্তাহে উত্তরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৩ পিএম | ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামী সপ্তাহে উত্তরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কার কথা জানিয়েছে বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ শঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হয়, আগামী সপ্তাহে সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে। এদিকে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী সময়ে (১৯-২৩ জুলাই) উজানের ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বাড়তে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী তিন দিন তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে এবং কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর প্রবাহিত হবে। এ কারণে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র। এ কারণে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে। এদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির স্থিতিশীল থাকতে পারে।

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২২ জুলাই সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় বন্যা, ঢল ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ মানুষ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গতকাল বুধবার বিকেল পর্যন্ত হালনাগাদ করা তথ্যে দেখা যায়, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জসহ সাতটি জেলার ৫৭টি উপজেলার ৩৬২টি ইউনিয়ন ও আটটি পৌর এলাকায় দুর্যোগ আঘাত হেনেছে। এসব এলাকায় ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

এসএন 

মন্তব্য করুন