© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

'ককরোচ' বিক্ষোভে চুপ দিশা! যন্তর মন্তরে মার খেলেন বোন খুশবু পাটানি

শেয়ার করুন:
'ককরোচ' বিক্ষোভে চুপ দিশা! যন্তর মন্তরে মার খেলেন বোন খুশবু পাটানি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:০৪ পিএম | ২২ জুলাই, ২০২৬
দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে দিল্লির রাজপথে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে শামিল খুশবু পাটানি (Khushboo Patani)। আন্দোলনরত পড়ুয়াদের হয়ে শুধু মিছিলেই হাঁটেননি, বরং পুলিশি লাঠিচার্জের মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে। আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের সেসব টুকরো ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত শেয়ার করেই নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন খুশবু। তবে ‘ককরোচ’ আন্দোলন (CJP Protest) নিয়ে দিদি প্রতিবাদী সুর চড়ালেও ‘টুঁ’ শব্দটি করেননি দিশা পাটানি।

বিক্ষোভকারী ‘আরশোলা’দের রুখতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস, জলকামান চালায় পুলিশ। যার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন শাবানা আজমিও। এদিন সেই মিছিল শামিল ছিলেন দিশার দিদি খুশবুও। যিনি ভারতীয় সেনার প্রাক্তন মেজরও বটে।



গত ২৮ জুন থেকে নিট কেলেঙ্কারিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে চলেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। দাবিপূরণ না হওয়ায় শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের নেতৃত্বে অনশনে বসেন পড়ুয়াদের একাংশ। টানা পঁচিশ দিন ধরা চলা এই বিক্ষোভ আরও নাটকীয় মোড় নেয় গত সোমবারের ‘সংসদ চলো’ অভিযানকে কেন্দ্র করে। দিল্লির রাজপথ কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিক্ষোভকারী ‘আরশোলা’দের রুখতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস, জলকামান চালায় পুলিশ। যার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন শাবানা আজমিও। এদিন সেই মিছিল শামিল ছিলেন দিশার দিদি খুশবুও। যিনি ভারতীয় সেনার প্রাক্তন মেজরও বটে। এযাবৎকাল দেশের একাধিক জ্বলন্ত ইস্যুতে আওয়াজ তুলেছেন। এবার যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। খুশবু জানালেন, স্বেচ্ছায় চেহারা আড়াল করে এদিনের মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। টুপি-মাস্কে ঢাকা থাকায় খুশবুকে চেনার উপায়ও ছিল না জনসাধারণের। ‘সংসদ অভিযান’-এর দিন ঠিক কী ঘটেছিল? সেই ঘটনাই ভাগ করে নিলেন দিশার দিদি।

“লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী একদিকে, আরেকদিকে পুলিশের সংখ্যা ছিল হাজারের গণ্ডিতে। আন্দোলনকারীরা যদি চাইত, সেরকম কিছু ঘটাতেই পারত…” 

খুশবুর মন্তব্য, “মিছিলে অংশ নেওয়া পুরুষরা নারীদের নিয়ে এতটাই তটস্থ ছিলেন যে, এতকিছুর মধ্যেও মেয়েদের গায়ে যাতে আঁচ না লাগে সেই চেষ্টা করে গিয়েছেন। লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী একদিকে, আরেকদিকে পুলিশের সংখ্যা ছিল হাজারের গণ্ডিতে। আন্দোলনকারীরা যদি চাইত, সেরকম কিছু ঘটাতেই পারত। এরকম অজস্র প্রতিবাদের নিদর্শন রয়েছে বিশ্বে। কিন্তু আমাদের তরুণ প্রজন্ম শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের রাস্তা বেছে নিয়েছিল। পুলিশের লাঠি খেয়েছে, কিন্তু পালটা মারের জন্য হাত তোলেনি। যতক্ষণ না ওদের মাথা ফাটানো হয়েছে, পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে, ততক্ষণ সকলে শান্তিপূর্ণভাবেই প্রতিবাদ করছিল। মেয়েরাও ভীষণ মার খেয়েছে। আমি নিজে লাঠিচার্জের মুখে পড়ে পালিয়েছি। খানিকটা ব্যথাও লেগেছে আমার।” দিশা পাটানির দিদির এহেন অভিজ্ঞতাই বর্তমানে নেটভুবনের চর্চায়। একযোগে খুশবুকে কুর্নিশ জানিয়েছেন সকলে। 

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন