ত্রিপাক্ষিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে সরকার : মাহ্দী আমিন
ছবি: সংগৃহীত
০৮:৩৩ পিএম | ২৫ জুলাই, ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প কারখানা ও প্রবাসীদের এক ছাতার নিচে এনে সরকার একটি ত্রিপাক্ষিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেছেন, দেশে প্রচুর শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যকর সংযোগের অভাব রয়েছে। তাই শিক্ষার্থী-শিক্ষক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মেধাকে একসঙ্গে কাজে লাগানো হবে।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’-এ তিনি এ কথা বলেন। ‘বৈশ্বিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর ভবিষ্যৎ নির্মাণ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ সামিটের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মাহ্দী আমিন বলেন, শুধু সেমিকন্ডাক্টর নয়, সব শিল্পের বিকাশে শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা জরুরি। দেশের জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে তরুণদের মেধা বিকাশে প্রতিযোগিতা, ক্লাব, সেমিনার, প্রশিক্ষণ ও যুগোপযোগী শিক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিষয়গুলোকে বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, ‘ব্রেইন ড্রেন’কে ‘ব্রেইন সার্কুলেশনে’ রূপান্তর করতে প্রবাসীদের নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ, সামার স্কুল, যৌথ গবেষণা ও শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বর্তমান সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে মাহ্দী আমিন বলেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত ল্যাব, গবেষণা সুবিধা, জার্নাল ও প্রকাশনার ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে ল্যাব, আধুনিক সরঞ্জাম ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। এবারের বাজেটে উচ্চশিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের একটি বড় অংশ এ খাতে ব্যয় করা হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের ভেতরে উদ্যোক্তা, শিল্প খাত এবং বিদেশে কর্মরত দক্ষ বাংলাদেশিদের এক সুতোয় বাঁধতে হবে। সরকার শিল্প-শিক্ষা সংযোগ, ক্যারিয়ার সেন্টার, শিক্ষানবিশি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করছে। একই সঙ্গে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে মূলধারায় এনে তত্ত্বভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রয়োগভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
আরআই/টিএ