© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেটার প্রধান মার্ক জাকারবার্গ

শেয়ার করুন:
ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেটার প্রধান মার্ক জাকারবার্গ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:১৫ পিএম | ০৫ আগস্ট, ২০২৬
মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ প্ল্যাটফর্মে শিশু যৌন নির্যাতনের কনটেন্ট, ডিপফেক এবং কিছু পরিচালনাগত ত্রুটির জন্য ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও ফেসবুক থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে ফেলে মেটা। এরপর কোম্পানিটিকে তলব করে ভারত সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে মেটার বৈশ্বিক দলের প্রতিনিধিরা ভারতের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ভারতীয় সূত্রগুলোর ভাষ্য, বৈঠকে মেটাকে জানানো হয়, তারা ‘মধ্যস্থতাকারী’ সংজ্ঞার আওতায় পড়ে না। কারণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো নির্ধারণ করে কোন কনটেন্ট কারা দেখবে। তাই আইটি আইনের ‘সেইফ হারবার’ সুরক্ষা তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

বৈঠকে মেটার কর্মকর্তারা স্বীকার করেন, কিছু নির্দিষ্ট কনটেন্টে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। অবৈধ কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায়ও তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করেন বলে ভারতীয় সূত্রগুলোর দাবি। একই সঙ্গে মেটার কর্মকর্তাদের আবারও তলব করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে এনডিটিভির আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় জাকারবার্গকে তিন দিনের আল্টিমেটাম দেয় ভারত। এ সময়ের মধ্যে ক্ষমা চাইতে বা দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

ভারতের সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ বলে উল্লেখ করেছে। প্রতিবেদনে এ দাবিও করা হয়েছে।

মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ তার প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিশু যৌন নির্যাতনের কনটেন্ট, ডিপফেক কন্টেন্ট এবং অপারেশনাল ত্রুটির জন্য ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। সূত্রের বরাতে বুধবার (৫ আগস্ট) এই তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও ফেসবুক থেকে সাময়িক সময়ের জন্য সরিয়ে দেয় মেটা। এরপরেই ভারত সরকার মেটাকে তলব করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির গ্লোবাল টিম ভারতের আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে।

সূত্রগুলো বলছে, এদিন মেটা টিমকে স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে যে তারা ‘মধ্যস্থতাকারী’ সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়। সোশ্যাল মিডিয়া ঠিক করে কারা কনটেন্টগুলো দেখতে পাবে এবং এটি আইটি অ্যাক্টে সেইভ হারবারের আওতাধীন না।

এসময় মেটার কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্টে বুস্ট দেয়ার জন্য প্রচুর অর্থ ঢালা হয়েছে। ভারতীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, অবৈধ কনটেন্ট প্রচারের জন্য মেটা তাদের ভুল মেনে নিয়েছে। সেই সঙ্গে সূত্রগুলো জানিয়েছে, মেটার কর্মকর্তাদের ফের ডাকা হবে।

এদিকে এর আগে এনডিটিভির আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, নরেন্দ্র মোদির ভিডিও মুছে ফেলা নিয়ে মেটার সিইও জাকারবার্গকে তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে ভারত। এই সময়ের মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বা দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ভারতের সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রী মোদির ভিডিও মুছে বা সরিয়ে ফেলার ঘটনাকে “গণতন্ত্রের ওপর আঘাত” হিসেবে অভিহিত করেছে দিল্লি সরকার।

এমআই/টিএ


মন্তব্য করুন