জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মডেল সিমু আক্তারকে
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৫৪ পিএম | ০৬ আগস্ট, ২০২৬
জুলাই আন্দোলন ঘিরে দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় মডেল সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলম সোহাগ মডেল মিষ্টি সুবাসকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। সেদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামিদের সহযোগী হিসেবে মিষ্টি সুবাস প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে তদন্তে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন।
বর্তমানে তিনি আশুলিয়া থানার আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা আড়াইটার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল মোড় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনের সমর্থনে আয়োজিত একটি মিছিলে অংশ নেন রুহুল আমীন। এ সময় আসামিদের ছোড়া গুলি তার বাম পায়ের গোড়ালিতে লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। চিকিৎসা শেষে গত বছরের ৩ অক্টোবর রুহুল আমীন বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় ৫৩ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।
চলতি বছরের ২৬ মার্চ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় মিষ্টি সুবাস আলোচনায় আসেন। ওই দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে অবস্থান করার অভিযোগে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এমআর/টিএ