যানজটের কারণে যথাসময়ে আদালতে হাজির হতে পারলেন না পরীমনি
ছবি: সংগৃহীত
০২:৩৬ পিএম | ০৯ আগস্ট, ২০২৬
রাস্তায় জ্যামে আটকে গিয়ে আদালতে পৌঁছার আগেই সময় শেষ হয়ে গিয়েছে পরীমনির। রবিবার (৯ অগাস্ট) সকালে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়ার আদালতে পরীমনির করা মামলায় তাকে জেরার দিন ধার্য ছিল।
তবে পরীমনি বাসা থেকে রওনা দিয়ে যথাসময়ে আদালতে পৌঁছানোর আগে কোর্টের সময় শেষ হয়ে যায়। নির্দিষ্ট সময় আদালতে পৌঁছাতে না পারায় এজলাস থেকে বিচারক নেমে যান ।একই সাথে পরবর্তী জেরার তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর ধার্য করা হয়। পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, এদিন এ মামলার তিন আসামির মধ্যে দুই আসামিও আদালতে হাজির হয়ে চলে যান। অন্য আসামি সময়ের আবেদন করেন। এর আগেও গত ১০ ফেব্রুয়ারি অ্যাপেন্ডিসাইটসের অপারেশনের পর অসুস্থ থাকায় আদালতে আসতে পারেননি পরীমনি। ওইদিনও এ মামলায় তাকে জেরার দিন ধার্য ছিল।
ফলে তিনি জেরার জন্য ছয় মাস সময় পান। এরও আগে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি জেরার জন্য ছিল। তবে পরীমনির দুই বাচ্চাকে টিকা দেওয়ায় তারা কিছুটা অসুস্থ থাকায় আদালতে আসেননি পরীমনি। এ কারণে ওইদিনও তার জেরা হয়নি।
এর আগেও ও গত বছরের ২৬ মে এ মামলায় আদালতে আসেন পরীমনি। তবে আদালতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ায় জেরা হয়নি। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলম। তারা জামিনে আছেন। ২০২১ সালের ১৪ জুন নাসির উদ্দিন ও অমির নাম উল্লেখ করে এবং চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে ঢাকার সাভার থানায় মামলা দায়ের করেন পরীমনি।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন। ২০২২ সালের ১৮ মে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
এসএ/এসএন