© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘মায়ের দেখা পাব’ ভেবে নর্মদার গভীরে নেমেছিলেন গোবিন্দ

শেয়ার করুন:
‘মায়ের দেখা পাব’ ভেবে নর্মদার গভীরে নেমেছিলেন গোবিন্দ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৩ পিএম | ০৯ আগস্ট, ২০২৬
বলিউডের রুপালি পর্দায় যার হাসিতে মেতেছে লাখো দর্শক, সেই 'হিরো নম্বর ওয়ান' গোবিন্দর জীবনের নেপথ্যে রয়েছে এক হৃদয়বিদারক গল্প। মায়ের সঙ্গে সন্তানের যে নাড়ির টান, তা ছিঁড়ে গেলে জীবনের হিসাব-নিকাশ কতটা ওলটপালট হয়ে যায় তারই এক করুণ বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছিলেন এই তারকা। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের সেই অন্ধকার অধ্যায়ের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন এই অভিনেতা। গোবিন্দা জানান, মায়ের মৃত্যুর পর তার পায়ের নিচের মাটি যেন সরে গিয়েছিল। তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় সামলাতে না পেরে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নিতে উদ্ধত হন।

তার মনে হয়েছিল, নর্মদা নদীর গভীরে তলিয়ে যেতে পারলেই হয়তো আবার দেখা মিলবে প্রয়াত মায়ের। সেই ভাবনার বশবর্তী হয়েই তিনি নর্মদার গভীর জলে নেমে পড়েছিলেন।

সেদিনের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে গোবিন্দ বলেন, ‘প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল, আমার জীবনের সব কিছু শেষ হয়ে গিয়েছে। নর্মদা নদীর কাছে এসে মনে হয়েছিল আরও খানিকটা গভীরে গেলেই হয়তো মায়ের দেখা পাব। তাই তখন নদীতে নেমে পড়েছিলাম।’



তবে সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যান এই তারকা। নদীপাড়ে থাকা এক পুরোহিতের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে জল থেকে উঠে আসেন তিনি। পুরোহিত তাকে বোঝান, নিজের সন্তানদের জন্য হলেও তাকে বেঁচে থাকতে হবে।

সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘নদী থেকে তুলে আমাকে ডেকে জানতে চেয়েছিলেন কী হয়েছে। তখন বুঝতে পেরেছিলাম আমি নিশ্চয়ই কিছু ভুল করেছি। সেখান থেকে শিক্ষা পেয়েছিলাম সন্তানদের জন্য আমাকে বাঁচতে হবে।’

অবশ্য আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টিকে আত্মহত্যার চেষ্টা বলে মনে হলেও গোবিন্দ নিজে তা বিশ্বাস করেন না। তার দৃষ্টিকোণ থেকে, জীবন বারবার নতুনরূপে ফিরে আসে। ওই কঠিন সময় কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তার প্রায় পনেরো দিন সময় লেগেছিল।

একেএস/টিএ

মন্তব্য করুন