© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জীবনে প্রেম থাকা জরুরি, প্রেম খুব হেলদি: রাইমা সেন

শেয়ার করুন:
জীবনে প্রেম থাকা জরুরি, প্রেম খুব হেলদি: রাইমা সেন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:১৩ পিএম | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বন কি ছকে বাঁধা নিয়মে চলতেই হবে? নাকি নিজের শর্তে, ছক ভেঙে বাঁচাতেই আসল আনন্দ? টলিউড ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাইমা সেন এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন নিজের মতো করে। বিয়ের গতানুগতিক ধারণাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ৪৬ বছর বয়সেও নিজের একক ও স্বাধীন অস্তিত্বকে সগৌরবে তুলে ধরেছেন তিনি। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের প্রেম, জীবনদর্শন এবং অবিবাহিত থাকার নেপথ্যের কারণ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই তারকা।

প্রখ্যাত অভিনেত্রী মুনমুন সেনের কন্যা এবং বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের নাতনি রাইমা সেন। ফলে রক্তেই তাঁর অভিনয় প্রতিভা ও নান্দনিক সৌন্দর্য। সুচিত্রা-মুনমুনের অভিজাত বংশের উত্তরাধিকারী হলেও রাইমা সবসময় নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়ে পরিচিত হতে পছন্দ করেছেন। রূপালি পর্দায় সাবলীল অভিনয় দিয়ে তিনি দুই বাংলার দর্শককেই দীর্ঘদিন ধরে মাতিয়ে রেখেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের স্বাধীনচেতা জীবনযাপন এবং সাহসী মন্তব্যের জন্যও তিনি প্রায়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন।



সাক্ষাৎকারে রাইমা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ছকবাঁধা নিয়মে বিয়ে করতেই হবে এমন ধারণায় তিনি একেবারেই বিশ্বাসী নন। মা মুনমুন সেন তাঁকে নিয়ে কিছুটা চিন্তা করলেও, রাইমা নিজের শর্তেই জীবন কাটাতে পছন্দ করেন। তাঁর জীবনে যারা এসেছিলেন, তাদের অনেকেই হয়তো বিয়ে করতে চেয়েছেন কিংবা তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছেন যা তাঁর স্বাধীনচেতা মনের সাথে মেলেনি।

নিজের মনের মানুষের বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি সেরকম কোনো ছেলে পাইনি, যার সঙ্গে গোটা জীবনটা কাটাতে চাইনি। এমন ছেলে দরকার যে আমার মতো, যাকে বলে ম্যাচ মেকিং। যে জীবনকে খুব সিরিয়াসলি নেবে না, যেমন আমিও নিই না।’

তবে প্রেমে শতভাগ বিশ্বাসী রাইমা মনে করেন, জীবনে প্রেম থাকা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর মতে, ‘প্রেম খুব হেলদি। খুশি থাকার জন্য ভালোবাসা ছাড়া জীবনের অর্থই বা কী! একটাই জীবন, তাও ভীষণ ছোট। মন খুলে উপভোগ করো। এমনিতেও তো একদিন না একদিন মরে যেতে হবে। অন্তত মরার আগে একটু আনন্দ করো।’

জীবনসঙ্গী খোঁজার বিষয়ে তাঁর কোনো তাড়া নেই, বরং তিনি বিশ্বাস করেন সবকিছুই আকস্মিকতায় সুন্দর। ঠিক যেমন হঠাৎ করেই অভিনয়ের প্রস্তাব আসে, তেমনি কোনো একদিন হয়তো অপ্রত্যাশিতভাবেই জীবনের বিশেষ মানুষটির ফোন চলে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা রাইমার।

এসএ/এসএন


মন্তব্য করুন