লাদাখে চীন-ভারত সেনাদের গোলাগুলি, যুদ্ধের শঙ্কা
বিরোধপূর্ণ লাদাখ সীমান্তে এবার চীন ও ভারতীয় সেনাদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। চীনের সেনা বাহিনীর সূত্র দাবি করেছে, ভারত বিনা উস্কানিতে লাদাখে চীনা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। তবে ভারতের দাবি ঠিক চীনের উল্টো।
উত্যপ্ত পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় দুই দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এই শঙ্কার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
ভারতীয় সেনা বাহিনীর বরাতে বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনের সেনারা ভারতীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এসময় ভারতীয় বাহিনী নিরাপত্তার স্বার্থে পাল্টা ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
তবে চীনা সেনারা জানিয়েছে, লাদাখে চীনা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ভারতীয় সেনারা গুলি ছোড়ে। এসময় চীনা সেনারা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে মাত্র।
এদিকে গোলাগুলির ঘটনার পরেই লাদাখ সীমান্তে দুই দেশই সেনা ও অস্ত্র মোতায়েন বৃদ্ধি করেছে। পরিস্থিতি যেকোনো সময় খারাপ দিকে মোড় নিতে পারে।
-20200908143350.jpg)
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, সোমবার রাতে চীনের সেনাবাহিনী ভারতের ‘দখলে’ থাকা একটি পাহাড়ের চূড়া দখলের চেষ্টা করে। কিন্তু ভারতীয় সেনারা তাদের রুখে দাড়ায়। এসময় উভয় পক্ষই ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে।
পরে চীন ও ভারতের সেনা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
তবে নিজেদের সামরিক বাহিনীর ওয়েবসাইটে চীন দাবি করেছে, ভারতীয় সেনারাই প্রথম গুলিবর্ষণ করেছে। চীনা বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের মুখপাত্র ঝ্যাং শুইলি জানান, ভারতীয় আগ্রাসী বাহিনীকে স্থিতিশীল করতে চীনের সীমান্ত রক্ষীরা ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ নেয়।
ঝ্যাং শুইলি বলেন, ভারতীয় সেনারা প্যাংগং লেকের দক্ষিণ পাড়ে এবং শেনপাও পার্বত্য এলাকায় অবৈধভাবে ঢুকে পড়ে। এসময় চীনা সেনারা অভিযান চালিয়ে ভারতীয় সেনাদের তাড়িয়ে দেয়। তখন এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে ছুড়তে ভারতের সেনারা পালিয়ে যায়।
টাইমস/এসএন