© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে চিকিৎসকদের বেতন বন্ধ

শেয়ার করুন:
কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে চিকিৎসকদের বেতন বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৪৪ পিএম | ২০ আগস্ট, ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কর্মস্থলে অনুপস্থিত কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বেতন বিল ছাড় করা যাবে না। পাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও ভৌগোলিক অবস্থান শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুশাসন বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালালউদ্দিন রুমি স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। 

বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনা তথ্যব্যবস্থার অধীনে তাৎক্ষণিক তথ্যভিত্তিক ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড স্থাপন করতে হবে।

বেতন ও ছুটির সঙ্গে হাজিরা যুক্ত

সব কর্মীর উপস্থিতির তথ্য সরকারি বেতন ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন, ছুটি ও পদোন্নতির সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ জন্য দায়িত্ব পালনের তালিকা ও ছুটির তথ্যের মধ্যে থাকা অসামঞ্জস্য দূর করে তা দ্রুত ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অনুপস্থিত থাকলে বেতন বিল ছাড় নয়

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরই বেতন বিল অগ্রায়ন করতে হবে। কোনো স্বাস্থ্যকর্মী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তার অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বেতন বিল ছাড় করা যাবে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অর্থ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মনিটরিংয়ে জোর

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হাজিরা তদারকিতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভাগ ও জেলাভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা নিয়মিত বায়োমেট্রিক হাজিরা পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি বিভাগীয় পরিচালক, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনদের প্রতি সপ্তাহে ই-হাজিরা–সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন পরিচালক (ক্লিনিক ও হাসপাতাল) ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের অধিকাংশ হাসপাতালে বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালু আছে কিছু কিছু স্থানে নষ্ট অথবা প্র্যাকটিস করা হয় না, সেসব অতি দ্রুত ঠিক করে সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হয়েছে।

এসএন 

মন্তব্য করুন