© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

'ঢাকার ফুটপাতে একটা দোকান থাকলে আমারটাও থাকতে হবে,' ভাইরাল মিজানের হুঁশিয়ারি

শেয়ার করুন:
'ঢাকার ফুটপাতে একটা দোকান থাকলে আমারটাও থাকতে হবে,' ভাইরাল মিজানের হুঁশিয়ারি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৫৭ পিএম | ২৩ আগস্ট, ২০২৬
১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত ফুটপাতের খাবার দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’।

রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেলার সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 তিনি বলেন, দুপুরের আগে কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত পেয়েছেন।

কারামুক্ত হয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে ভাইরাল মিজান বলেন, ‘ঢাকা শহরের যদি একটা দোকান ফুটপাতে থাকে, মিজানটাও থাকতে হইবো। এইটাই আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই। আমার ভাইরালের উসিলায় কোনো চাওয়া-পাওয়া নাই, এইডা আমার কথা।

তিনি এও বলেন, আমার হোটেলটা যেভাবে ভাঙছে, হোটেলটা যেন অন্তত আবার করার জায়গাটা যেন দেয়।

কারাগার সূত্র জানায়, নির্দিষ্ট মেয়াদের সাজা ভোগ শেষে আজ সকালে মিজানকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। জেলগেটে তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আগারগাঁও এলাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রোববার ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় আগারগাঁও এলাকায় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেখানে যান। এ সময় মিজান সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন মিজান। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

যেভাবে ‘ভাইরাল মিজান’

আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান মিজান। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার সুযোগ থাকায় সেটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। দোকানটির নাম দেওয়া হয়েছিল-‘নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন’। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোকানটি ‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিতি পায়।

দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিজানুর রহমান ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

এমআই/টিএ


মন্তব্য করুন