© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

স্বামীকে ইতালি রেখে দেশে ফিরে প্রেমিককে বিয়ে ৪ সন্তানের জননীর

শেয়ার করুন:
স্বামীকে ইতালি রেখে দেশে ফিরে প্রেমিককে বিয়ে ৪ সন্তানের জননীর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:১৮ পিএম | ২৬ আগস্ট, ২০২৬
স্বামীকে প্রবাসে রেখে পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের মুন্নি আক্তার জেসমিন নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। স্বামীকে তালাক না দিয়েই পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করলেন চার সন্তানের এ জননী। 

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনায় প্রবাসী জাকির হোসেনের বোন মারুফা বেগম রায়পুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। থানায় মুন্নির বিরুদ্ধে পরকীয়া প্রেমিককে বিয়েসহ ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ইতালি প্রবাসী জাকির উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের উত্তর রায়পুর এলাকার আলী হায়দারের ছেলে। অভিযুক্ত মুন্নি তার স্ত্রী। মুন্নি একই উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চরবগা গ্রামের নুর উদ্দিনের মেয়ে।

মারুফার অভিযোগ ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২২ বছর আগে পারিবারিকভাবে জাকির ও মুন্নির বিয়ে হয়। তাদের চার ছেলেমেয়ে রয়েছে। ২০০৯ সালে মুন্নিকে ইতালি নিয়ে যান জাকির। সেখানে মোবাইলে মুন্নি বাংলাদেশি একাধিক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়। প্রায় দুই মাস আগে মুন্নি তার বাবার অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দেশে চলে আসেন। সঙ্গে তার দুই সন্তানকেও নিয়ে আসেন। দেশে আসার পর থেকে তিনি জাকিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।

পরে রায়পুরের বামনী ইউনিয়নের পূর্ব কাঞ্চনপুর এলাকার বাসিন্দা সৌরভ হোসেন চুট্টুকে বিয়ে করেন মুন্নি। তার সঙ্গে সৌরভের পরকীয়া ছিল। 

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, মুন্নি তার স্বামী জাকিরকে তালাক না দিয়েই পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করেছেন। এছাড়া ইতালি থেকে আসার সময় জাকিরের দেওয়া ২৫ ভরি স্বর্ণ, নগদ ও ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে প্রায় ৩ কোটি টাকা মুন্নি নিয়ে গেছেন।

মারুফা আক্তার বলেন, মুন্নি আমার ভাইকে তালাক দেয়নি। তিনি পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করেছেন। তিনি আমার ভাইয়ের স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় মুন্নির পরিবারের লোকজন জড়িত। তাদের কারণে আমার দুই ভাতিজা ও ভাতিজি অসহায় হয়ে গেছে। আমার ভাই ভেঙে পড়েছেন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ ব্যাপারে মুন্নি আক্তার জেসমিন বলেন, জাকির আমাকে ইতালিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন। এজন্য অন্য একজনকে বিয়ে করেছি। আমি কোনো টাকা আত্মসাৎ করিনি। জাকিরকে তালাক দেওয়া ছাড়া বিয়ে করার বিষয় তিনি স্বীকার করেন।

রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন