© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

টাঙ্গাইলে স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ছয়জনের ফাঁসি

শেয়ার করুন:
টাঙ্গাইলে স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ছয়জনের ফাঁসি

ছবি সংগৃহীত

own-reporter
০২:৩১ পিএম | ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সম্পত্তির জন্য টাঙ্গাইলে অবসরপ্রাপ্ত প্রাইমারি শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অন্য ধারায় আসামিদের প্রত্যেককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদাণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- স্বপন কুমার দাস (৪৩) এবং তার সহযোগী জাহিদুল ইসলাম (৩২), ফরহাদ (৩৩), মনিরুজ্জামান ভুইয়া (৪৮), মঞ্জুরুল ইসলাম (৩৩) ও শায়ান মিয়া ওরফে ছায়ান (৩৮)।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভিকটিম অনিল কুমারের সৎ ভাই স্বপন কুমার দাস অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য কৌশল অবলম্বন করতে থাকেন। স্বপন কুমার দাসের সঙ্গী মাদকসেবী মনিরুজ্জামান, ফরহাদ, মঞ্জুরুল, জাহিদ ও শয়ান মিয়া ভিকটিম অনিল কুমারের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার পরিকল্পনা করেন।

২০১৭ সালের ২৬ জুলাই টাঙ্গাইলের রসুলপুরের বাসায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিকটিম অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীকে হত্যা করে। হত্যার পর তাদের লাশ বস্তায় ভরে বাসার বাথরুমের সেফটি ট্যাঙ্কের ভেতর ফেলে রাখে। এরপর পুলিশ এসে তাদের লাশ উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় ভিকটিম অনিল কুমারের ছেলে নির্মল কুমার দাস বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর খানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিম অনিল কুমারের সৎ ভাই স্বপন কুমারসহ ৬ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ৩৫ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ২৭ জন সাক্ষ্য দেন। এরপর শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় রোববার এ রায় দেন আদালত।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন