© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ট্রাম্পের মাথার আকৃতির ট্যাবলেট নিয়ে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

শেয়ার করুন:
ট্রাম্পের মাথার আকৃতির ট্যাবলেট নিয়ে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৩০ পিএম | ২৯ আগস্ট, ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আকৃতির প্রাণঘাতী এক্সট্যাসি ট্যাবলেট সম্পর্কে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে নেদারল্যান্ডসের একটি মাদকাসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠান। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

দেশটির মাদকাসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ট্রিমবোস ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, আগস্টে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এমন কয়েকটি ট্যাবলেট জমা দেয়া হয়, পরীক্ষায় যেগুলোতে পিএমএমএ নামের রাসায়নিকের ‘অত্যন্ত উচ্চ’ মাত্রা পাওয়া গেছে।

সতর্কবার্তায় প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘কোনো অবস্থাতেই এই ট্যাবলেট ব্যবহার করবেন না।’ তাদের মতে, এই মাদক শরীরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, যার পরিণতি হতে পারে মারাত্মক। ট্যাবলেটগুলোর ছবিও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যার এক পাশে ট্রাম্পের মুখাবয়ব এবং অন্য পাশে ‘ট্রাম্প’ ও ‘এনএল’ লেখা রয়েছে।

পিএমএমএ বা প্যারা-মেথক্সিমেথঅ্যামফেটামিন হলো এমডিএমএর মতো একটি রাসায়নিক পদার্থ। এমডিএমএ এক্সট্যাসি ট্যাবলেটের সক্রিয় উপাদান। ট্রিমবোস ইনস্টিটিউট সতর্ক করে বলেছে, পিএমএমএর প্রভাব দেরিতে শুরু হয় এবং এর উদ্দীপক প্রভাব অনেক সময় থাকে না। এতে অতিরিক্ত মাত্রায় মাদক গ্রহণের ঝুঁকিও বাড়ে।

ট্যাবলেট সেবনের কয়েক ঘণ্টা পর বমিভাব, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ও খিঁচুনির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে বলেও সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ট্রিমবোস ইনস্টিটিউটের মুখপাত্র অ্যানিক গ্রুথুইস এপিকে জানিয়েছেন, সম্ভাব্য ব্যবহারকারীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার কোনো ঘটনা জানা যায়নি।

নেদারল্যান্ডসে এক্সট্যাসি তৈরি, বিক্রি ও ব্যবহার অবৈধ। তবে ২০২৪ সালের দেশটির সরকারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাদকটি এখনও ‘পার্টি ড্রাগ’ হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ২০২২ সালে রেকর্ড ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ অন্তত একবার এই মাদক গ্রহণ করেছিলেন।

তবে এক্সট্যাসি ট্যাবলেটের আকৃতি তৈরিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখাবয়ব ব্যবহার এবারই প্রথম নয়। ২০১৭ সালে জার্মান পুলিশ ট্রাম্পের মাথার আকৃতির গাজর রঙের প্রায় ৫ হাজার এক্সট্যাসি ট্যাবলেট জব্দ করেছিল। পুলিশের ধারণা ছিল, ইন্টারনেটে ‘ট্রাম্প মেকস পার্টিং গ্রেট এগেইন’ স্লোগানের মাধ্যমে এগুলোর প্রচার করা হয়েছিল।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন