© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইমামদের শুধু নামাজের নয়, মুত্তাকিদের ইমাম হতে হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
ইমামদের শুধু নামাজের নয়, মুত্তাকিদের ইমাম হতে হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২২ পিএম | ২৯ আগস্ট, ২০২৬
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বলেছেন, সমাজে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ইমাম ও আলেম-ওলামাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের মাঝে সত্য, ন্যায়, সততা ও তাকওয়ার শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে ইমামদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির মিলনায়তনে আলেম-ওলামা, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু নামাজের ইমাম হলেই হবে না; তাদের মুত্তাকিদের ইমাম হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য নিজেদের জীবনেও তাকওয়া, সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও আমল প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করতে হলে হিকমত ও প্রজ্ঞার সঙ্গে কথা বলতে হবে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (দ.) নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি মানুষের বাস্তবতা বুঝে সুন্দর ও যুক্তিসঙ্গতভাবে ইসলামের শিক্ষা মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে।

পবিত্র কোরআনের আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, সমাজে বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব রয়েছে। সামাজিক নেতৃত্ব, কর্মক্ষেত্রের নেতৃত্ব এবং নৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব যার প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষের সামনে আদর্শ স্থাপন করা জরুরি।

ইমামরা যেহেতু ধর্মীয় ও নৈতিক নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন, তাই তাদের আচরণ, বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড মানুষের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত থাকতে হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে চোখ, কান, চিন্তা ও বিবেকসহ অসংখ্য নিয়ামত দিয়েছেন অথচ মানুষ এসব নিয়ামতের যথাযথ শুকরিয়া আদায় করতে পারে না। আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়াও ঈমানি দায়িত্বের অংশ।

পাহাড়তলি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির অবকাঠামো ও ভূমির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির অব্যবহৃত জায়গাগুলো কেন কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করে এসব জায়গাকে জনকল্যাণমূলক ও প্রশিক্ষণমূলক কাজে ব্যবহার করা সম্ভব কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে। চট্টগ্রাম ও এর আশপাশের অঞ্চলের হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় আবাসন, প্রশিক্ষণ সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই জায়গাটিকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। এই বিষয় সংশ্লিষ্টদের নিয়ে পর্যালোচনা করে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খাঁনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী আলেম-ওলামাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন