© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

শেয়ার করুন:
লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:২৫ এএম | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
লাদাখের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা, সাংবিধানিক সুরক্ষাসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে স্পষ্ট আশ্বাস না মিললে ফের বড় ধরনের আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। 

আগামী ১৯ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন করে আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে লাদাখের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপকমিটির বৈঠকের পর আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন ওয়াংচুক। 

তার অভিযোগ, বৈঠকে লাদাখের দাবিগুলো নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। লেহ আপেক্স বডি এবং কার্গিল গণতান্ত্রিক জোটের নেতারাও ৯ সেপ্টেম্বরের বৈঠক নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বলে জানান ওয়াংচুক। লাদাখের প্রতিনিধিদের প্রত্যাশা ছিল, প্রস্তাবিত আইনসভা, তার ক্ষমতা ও অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বিস্তারিত খসড়া দেওয়া হবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া এবং সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। পরিবেশ রক্ষা, স্থানীয় মানুষের অধিকার এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা বৃদ্ধির দাবিও রয়েছে আন্দোলনকারীদের। 

এদিকে গত বছরের আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের এবং গ্রেফতার হওয়া আন্দোলনকারীদের স্মরণে সেপ্টেম্বর মাসকে শহীদ মাস হিসেবে পালন করছে লাদাখের বিভিন্ন সংগঠন। ১০ সেপ্টেম্বর কার্গিল থেকে লেহ পর্যন্ত পদযাত্রার কর্মসূচি ছিল। তবে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার কারণে আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।

ওয়াংচুক জানিয়েছেন, আলোচনায় সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে ফের পদযাত্রা শুরু হতে পারে। ২৪ সেপ্টেম্বরের প্রায় পাঁচ দিন আগে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।তিনি বলেন, লাদাখের মানুষ, পরিবেশ এবং দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের স্বার্থে সারা দেশের মানুষকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হবে। সীমান্তে বসবাসকারী মানুষকে যদি অন্যায্য আচরণের শিকার হতে হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে লাদাখে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় চারজনের মৃত্যু হয় এবং বহু মানুষ আহত হন। ওই সময় ওয়াংচুককে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রায় ছয় মাস যোধপুরের কারাগারে থাকার পর চলতি বছরের মার্চে মুক্তি পান তিনি।ওয়াংচুক আরও জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে গত বছরের সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিয়ে তাদের কাছে থাকা তথ্যও প্রকাশ্যে আনা হতে পারে। ২৪ সেপ্টেম্বরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

একেএস/টিএ

মন্তব্য করুন