১৪ বছর পর ‘ককটেল’ নিয়ে সাইফের ভুল স্বীকার
ছবি: সংগৃহীত
০৯:১৬ পিএম | ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ককটেল’ সিনেমায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপনাকে এখন কিছুটা পশ্চাৎপদ মনে হয় বলে জানিয়েছেন অভিনেতা সাইফ আলি খান। বিশেষ করে একজন নারীকে প্রচলিত অর্থে ‘ভালো’ এবং অন্যজনকে ‘খারাপ’ হিসেবে দেখানোর প্রবণতাকে নিজের ভুল হিসেবে দেখছেন তিনি।
সম্প্রতি ‘গালফ নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘ককটেল’ সিনেমা নিয়ে নিজের উপলব্ধির কথা জানান সাইফ। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়। সিনেমাটির গল্পে নারী চরিত্রগুলোর মধ্যে যে বৈপরীত্য তৈরি করা হয়েছিল, তা বর্তমান সময়ের দৃষ্টিতে প্রশ্নের মুখে পড়ে। হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত ‘ককটেল’ সিনেমায় সাইফ আলি খানের সঙ্গে অভিনয় করেন দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টি।

সিনেমায় দীপিকা অভিনয় করেন ভেরোনিকা চরিত্রে, যিনি ছিলেন স্বাধীনচেতা, প্রাণবন্ত ও পার্টিপ্রিয়। অন্যদিকে ডায়ানা পেন্টির মীরা চরিত্রটি ছিল শান্ত, সংযত এবং তুলনামূলকভাবে ঘরোয়া। সিনেমাটির গল্পে ভেরোনিকাকে অনেকটা বেপরোয়া ও সমস্যাসংকুল নারী হিসেবে এবং মীরাকে আদর্শ ও গ্রহণযোগ্য নারী হিসেবে দেখানো হয়। সাইফ মনে করেন, এই ধরনের চরিত্রায়ন নারীদের নিয়ে প্রচলিত সামাজিক ধারণাকেই শক্তিশালী করে।
অভিনেতার বক্তব্য অনুযায়ী, তখন সিনেমাটি নির্মাণের সময় বিষয়টি এভাবে ভাবা হয়নি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে। এখন তার মনে হয়, ভেরোনিকার মতো চরিত্রকে শুধু নেতিবাচকভাবে দেখানো এবং মীরাকে ‘ভালো মেয়ে’র প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা যথেষ্ট প্রগতিশীল ছিল না।
২০১২ সালে মুক্তির পর ‘ককটেল’ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সিনেমাটিতে সাইফের পাশাপাশি দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টির অভিনয়ও প্রশংসিত হয়।
বিশেষ করে ভেরোনিকা চরিত্রটি দীপিকার ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে ওঠে। এদিকে ‘ককটেল’-এর দ্বিতীয় কিস্তি নির্মাণের খবরও ইতিমধ্যে আলোচনায় এসেছে। তবে নতুন সিনেমায় আগের চরিত্রগুলো কীভাবে উপস্থাপন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
এসএ/এসএন