ক্যারামকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যাওয়া ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে জোর স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত
১২:৪৪ এএম | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার পাশাপাশি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এক সুতোয় বাঁধতে ক্যারাম একটি চমৎকার অন্তর্ভুক্তিমূলক মাধ্যম হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত। তিনি জানান, তৃণমূল পর্যায় থেকে এই খেলার বিস্তার ঘটিয়ে আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে একটি অন্যতম ক্যারাম খেলুড়ে দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বনানীর ‘হোটেল আমারি’তে বাংলাদেশ ক্যারাম ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামোগত বা সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অনেক খেলায় নারীরা অংশ নিতে না পারলেও ক্যারামে ছেলে-মেয়ে ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতিবন্ধী মানুষের সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। জনবহুল দেশে ফুটবল বা ক্রিকেটের জন্য বড় মাঠের প্রয়োজন হলেও স্বল্প পরিসরে ক্যারামের আয়োজন অত্যন্ত সহজ। স্কুল-কলেজ ও তৃণমূল পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে দিতে পারলে তা তরুণ প্রজন্মকে ক্ষতিকর মাদকাসক্তি ও অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম থেকে দূরে রেখে সুস্থ মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে।

ক্যারামের বর্তমান সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার প্রত্যয় জানিয়ে ড এম এ মুহিত বলেন, বাংলাদেশে সামাজিকভাবে ক্যারাম অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও সাংগঠনিকভাবে এতদিন এটি অবহেলিত ছিল। এই শূন্যতা দূর করতে দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট বার্ষিক ক্রীড়াপঞ্জি (ক্যালেন্ডার) প্রণয়ন করা হবে। এর ভিত্তিতে স্পন্সর ও অর্থায়নের সংকট মোকাবিলা করে চলতি বছরের শেষভাগে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে জাতীয় দল পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্যারাম ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দিন মুহসীন মাহিন, কোষাধক্ষ্য হাফিজুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হাসান, সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী, সহ-সভাপতি লতিফুল ইসলাম শিবলী সহ-সভাপতি এ আর এম সালাহ উদ্দিন, সহ-সভাপতি শফিউল আলম বাবু, সহ-সভাপতি আল মামুন প্রমুখ।
এমআর/টিএ