© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ ও যুবলীগের ৪ জন কারাগারে

শেয়ার করুন:
গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ ও যুবলীগের ৪ জন কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:২৯ পিএম | ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের আরও চার নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। 

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— সহিম উদ্দিন (৩০), তুষার (২৭) সাদমান সাকিব (৩৬) আল আমিন মৃধা (৪৫)।

এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. রিয়াজ মোরশেদ মাহিম তাদের জামিন চেয়ে শুনানি করেন। আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এ মামলায় দুই আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। গত শনিবার এই মামলায় ২৪ জনকে রিমান্ডে পাঠায় আদালত। এছাড়া রোববার নয়জন এবং সোমবার আরও নয়জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে মঙ্গলবার আরও সাতজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর গুলশান থানাধীন এলাকায় গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১২টায় নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করা সহ সরকার বিরোধী অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলরে লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। তারা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান প্রদান ও বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করেন।

এ সময় তারা ঘটনাস্থল ও আশপাশ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। অজ্ঞাতনামা আসামিরা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন সহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে তথা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান প্রদান ও বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।

এরপর পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে তারা আতঙ্ক সৃষ্টি করে পুলিশের উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান। এসময় পাঁচটি ককটেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮০/১০০ জনকে আসামি করা হয়।

এমআর/টিএ  



মন্তব্য করুন