© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: অভিযোগ গঠন পিছিয়ে ৭ অক্টোবর

শেয়ার করুন:
সগিরা মোর্শেদ হত্যা: অভিযোগ গঠন পিছিয়ে ৭ অক্টোবর

ছবি সংগৃহীত

own-reporter
০২:৫৪ পিএম | ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে চাঞ্চল্যকর সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় অভি‌যোগ গঠন শুনা‌নি পি‌ছি‌য়ে আগামী ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

এ দিন আসামিপক্ষ মামলার সত্যায়িত অনুলিপি না পাওয়ায় সময়ের আবেদন করেছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক আগামী ৭ অক্টোবর অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল এ তথ্য জানান।

এ ঘটনার ৩০ বছর পর রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চারজনের বিরু‌দ্ধে গত ১৬ জানুয়া‌রি আদাল‌তে অভিযোগপত্র দেয়। এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৫৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত ৯ মার্চ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন একই আদালত। সে দিনই অভিযোগ গঠন শুনা‌নির জন‌্য ১৫ মার্চ দিন ঠিক ক‌রা হয়। তবে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে আদালত বন্ধ থাকায় শুনানি পিছিয়ে যায়।

মামলার আসামিরা হলেন- নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান ও ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা।

তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, সগিরা মোর্শেদের পরিবারের সঙ্গে আসামি শাহীনের বিভেদ তৈরি হয়েছিল। এছাড়া শাশুড়ি সগিরাকে অনেক পছন্দ করতেন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সগিরা-শাহীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সম্বোধন করা নিয়েও পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল। সগিরার কাজের মেয়েকে মারধর করে আসামি ডা. হাসান আলী চৌধুরী। এ নিয়ে পারিবারিক বৈঠকে শাহীন সগিরাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। আসামিরা নিজেদের বাসায় বসে সগিরাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ডা. হাসান আলী তার চেম্বারে অপর আসামি মারুফ রেজার সঙ্গে ২৫ হাজার টাকায় হত্যার চুক্তি করে। ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই মারুফ রেজা ও আনাস মাহমুদ সগিরাকে গুলি করে হত্যা করে। ওই ঘটনায় সগিরার স্বামী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, আসামিরা শিক্ষিত এবং হোয়াইট কালারের অপরাধী হওয়ায় তারা জামিন পেলে বাংলাদেশ ত্যাগ করে চিরপলাতক হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য আসামিদের বিচার সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান তিনি।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন