© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শেষ পর্যন্ত বাচ্চা মেয়েটাকে তারা মেরে ফেলল: মেঘনা আলম

শেয়ার করুন:
শেষ পর্যন্ত বাচ্চা মেয়েটাকে তারা মেরে ফেলল: মেঘনা আলম

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:১৪ পিএম | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন আলোচিত রাজনীতিবিদ ও মডেল মেঘনা আলম।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘শেষ পর্যন্ত বাচ্চা মেয়েটাকে তারা মেরে ফেলল! ইয়া আল্লাহ, তুমি মেয়েটাকে জান্নাত নসিব করো। এই সমাজ তার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়েছে! তুমি তার প্রতি ইনসাফ করো আল্লাহ।’

তবে মরিয়মকে হত্যা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তার পোস্টে কোনো প্রমাণ বা বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

পোস্টে অভিযোগ করে মেঘনা আলম বলেন, জামায়াতে ইসলামী দলের কথিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং বিএনপিকে সমর্থন করার কারণে তাকে লক্ষ্য করে ভুয়া সংবাদ, ভিডিও, স্ক্রিনশট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব ছড়িয়ে হেনস্তার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ‘ভুঁইফোড় পেজ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার মাধ্যমে মিথ্যাকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এভাবে একজন নারীর সম্মানহানি করা হলেও কিছু মানুষ বিষয়টি নিয়ে হাসাহাসি ও আনন্দ করছে।’

পোস্টের শেষাংশে তিনি মেঘনা আলম লিখেন, ‘ইয়া আল্লাহ, যারা একজন মানুষের সম্মানহানি করে, মিথ্যা ছড়ায় এবং একজন নারীর অসহায়ত্বকে বিনোদনে পরিণত করে, তুমি তাদের কৃতকর্মের ন্যায়বিচার করো। দুনিয়াতেও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করো, আখিরাতেও তাদের জবাবদিহির মুখোমুখি করো। আমিন।’

এর আগে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছেছেন। মরিয়মের মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তার আগে গত জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার কারণে আলোচনায় আসা সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নৈতিক স্খলনের দায়ে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন