৩৬ হাজার কোটি পেরিয়ে আবারও শীর্ষে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৫৬ পিএম | ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
মার্ভেল সিনেমাপ্রেমীদের জন্য উচ্ছ্বসিত ও রোমাঞ্চকর খবর সামনে এসেছে। বক্স অফিসের দীর্ঘ লড়াইয়ে জনপ্রিয় সুপারহিরো মেগা হিট সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ আবারও রাজত্ব নিজের করে নিল। সম্প্রতি বিশেষ রি-রিলিজের মাধ্যমে সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী আয়ের দিক থেকে জেমস ক্যামেরনের কল্পবিজ্ঞান কাহিনিনির্ভর ‘অ্যাভাটার’কে পেছনে ফেলেছে।
হলিউড বক্স অফিসের ইতিহাসে সিনেমা দুটির মধ্যে সেরা হওয়ার লড়াই দীর্ঘদিন ধরেই জমে উঠেছে। কয়েক বছর ধরে কখনো মার্ভেলের সুপারহিরোরা, তো কখনো আবার প্যান্ডোরার নীল রঙের নাভিরা একে অন্যকে টপকে যাচ্ছিল। পুনর্মুক্তির পর সিনেমাটির বৈশ্বিক আয় দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৯২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩৬ হাজার কোটি টাকার বেশি।
২০০৯ সালে মুক্তির পর দীর্ঘ এক দশক ধরে বক্স অফিসের শীর্ষ সিংহাসনটি একচ্ছত্রভাবে ধরে রেখেছিল জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার’। এরপর ২০১৯ সালে মূল প্রেক্ষাগৃহ মুক্তির সময় মার্ভেলের মহাকাব্যিক সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ সেই রেকর্ড ভেঙে প্রথমবার তালিকার এক নম্বরে উঠে আসে।
তবে অ্যাভেঞ্জার্সের সেই রাজত্ব বেশিদিন টেকেনি। ২০২১ সালে সিক্যুয়েল ছবি মুক্তির আগে ‘অ্যাভাটার’ পুনরায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলে বক্স অফিসের সমীকরণ আবার পাল্টে যায়। সেই রি-রিলিজের বদৌলতে ছবিটি বিশ্বব্যাপী আয়ের দিক থেকে মার্ভেলের সিনেমাকে পেছনে ফেলে দেয়। আর এবার রি-রিলিজের মাধ্যমে ডিজনির মার্ভেল স্টুডিও আবারও বাজিমাত করল। বিশ্বজুড়ে এর মোট আয় পৌঁছে যায় ২ দশমিক ৯২৫ বিলিয়ন ডলারে।
অন্যদিকে, পাঁচবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার সুবাদে জেমস ক্যামেরনের সিনেমাটির ঝুলিতে জমা হয়েছে মোট ২ দশমিক ৯২৩ বিলিয়ন ডলার। খুব অল্প ব্যবধানেই হলেও মার্ভেলের এই দুর্দান্ত সুপারহিরো এথিক আবারও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ছাড়িয়ে গেল।
সিনেমা জগতের এই ঐতিহাসিক লড়াইয়ে মার্ভেলের জয়জয়কার দেখে উচ্ছ্বসিত গোটা বিশ্বের কমিক ভক্তরা। বক্স অফিসের এই অদলবদল প্রমাণ করে যে, দর্শকদের মনে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর উন্মাদনা আজও একটুও কমেনি। ভবিষ্যতে এই দুই সিনেমার মধ্যে বক্স অফিস ধরে রাখার এই লড়াই আরও কোনো নতুন চমক দেখায় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: এনডিটিভি মুভি
এসএ/টিএ