© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কংগ্রেস বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করছে: বিজেপি

শেয়ার করুন:
কংগ্রেস বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করছে: বিজেপি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৫৮ পিএম | ০৯ অক্টোবর, ২০২৬
ভারতে নির্বাচন কমিশনের প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীদের বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ও নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির অভিযোগ, ক্ষমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে কংগ্রেস রাস্তায় বিক্ষোভের মাধ্যমে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।

বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক ভিডিও বার্তায় এ অভিযোগ করেন।

বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র ৭ অক্টোবরের বিক্ষোভের কিছু ভিডিও দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র এবং কংগ্রেসের কর্মীরা দিল্লিতে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করেছেন।

তার মতে, এসব ঘটনা কংগ্রেসের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে।

ভান্ডারি বলেন, কংগ্রেসের কৌশল হলো ভারতে বাংলাদেশ ও নেপালের মতো নৈরাজ্য ছড়িয়ে দেওয়া। বিক্ষোভের ভিডিওতে কংগ্রেসের কর্মীদের পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দেওয়া এবং লাথি মারার চেষ্টা করতে দেখা গেছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া, দেশে অস্থিরতা তৈরিতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপির এই মুখপাত্র।

বিজেপির দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। তাই রাস্তায় বিক্ষোভ করে আদালতের কার্যক্রমে কোনো প্রভাব ফেলা যাবে না। ভান্ডারি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভের মাধ্যমে রাহুল গান্ধী বিচারিক প্রক্রিয়ায় চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন।

এই বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম। বিশেষ নিবিড় সংশোধন নামে এই কার্যক্রমে দেশজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে সুবিধা পাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ভোটার তালিকা থেকে ভুয়া, দ্বৈত ও অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়াই এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য।

গত বুধবার দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র নেতারা। পরে পুলিশ তাদের আটক করে এবং সন্ধ্যায় ছেড়ে দেয়। বিক্ষোভে পুলিশের পদক্ষেপের সমালোচনা করে কংগ্রেস বলেছে, তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করা হয়েছে। তবে দিল্লি পুলিশ এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন