© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষাহোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতো চক্রটি, নিতো ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা: এসআরবি

শেয়ার করুন:
হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতো চক্রটি, নিতো ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা: এসআরবি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৪ পিএম | ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
যুব উন্নয়ন অধিদফতরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৩। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ প্রবেশপত্র, স্ট্যাম্প ও ব্যাংক চেক উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পরিবেশ অধিদফতর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) কর্মরত ব্যক্তিরাও রয়েছেন। 

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সংস্থাটির কারওয়ানবাজারের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে এনবিআরের অফিস সহায়ক নূর মোহাম্মদ, এনবিআরের কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আসাদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর রুবেল, বেসরকারি চাকরিজীবী এস এম ইমদাদুল ইসলাম এমদাদ, মফিজুর ওরফে রাফি এবং হাসিনুর রহমান সুজন। 

এসআরবি জানায়, হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে এই প্রশ্নফাঁস চক্রটি। তারা হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতো। বিনিময়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা নিতো।

আরও জানানো হয়, ১০ অক্টোবর পরীক্ষা শুরুর আগে ভোরেই এনবিআরের অফিস সহায়ক নূর মোহাম্মদের কাছে প্রশ্ন আসে। তিনিই বাকিদের কাছে প্রশ্ন হস্তান্তর করেন। চার থেকে পাঁচ বছর ধরে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত এ চক্র। মূলত দ্বিতীয় ধাপে কাজ করে এ চক্রটি বলেও জানায় এসআরবি।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার যুব উন্নয়ন অধিদফতরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা। পরে শনিবারই পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন