© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরান যুদ্ধে ফেঁসে গেছে যুক্তরাষ্ট্র, সংঘাত শুরু করাই উচিত হয়নি: আবদুল এল-সায়েদ

শেয়ার করুন:
ইরান যুদ্ধে ফেঁসে গেছে যুক্তরাষ্ট্র, সংঘাত শুরু করাই উচিত হয়নি: আবদুল এল-সায়েদ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৫৩ পিএম | ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর ও ডেমোক্র্যাট নেতা আবদুল এল-সায়েদ দেশটির বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই সংঘাত অপ্রয়োজনীয় ছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের কখনোই এতে জড়ানো উচিত হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির মধ্যপ্রাচ্য নীতির সমালোচনা করে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ইসরায়েলের প্রভাব এবং দেশটিকে দেওয়া সামরিক সহায়তার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ইরান যুদ্ধ প্রসঙ্গে এল-সায়েদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে, যা দেশটির জন্য ফাঁদে পরিণত হয়েছে। অতীতে মার্কিন প্রেসিডেন্টরা ইরানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাত এড়িয়ে চলেছেন। কিন্তু বর্তমান প্রশাসন সেই সতর্ক অবস্থান থেকে সরে এসে বড় ধরনের ভুল করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠকের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে প্রভাবিত করেছেন। কয়েক দশক ধরেই ওই প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে জড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ইসরায়েলকে বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিরোধিতা করে এল-সায়েদ বলেন, অন্যান্য দেশের মতো ইসরায়েলি সরকারকেও একই ধরনের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, কোনো দেশের সরকারের সমালোচনা করার অর্থ ওই দেশের জনগণ কিংবা কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা নয়। রাজনৈতিক সমালোচনা এবং জনগণের প্রতি শত্রুতা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

 ইসরায়েলকে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান এল-সায়েদ। তার মতে, মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে কি না, তা নিশ্চিত করার নৈতিক দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

এ ছাড়া মিশরের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মিশরকে মার্কিন আর্থিক সহায়তা দেওয়া বন্ধ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন এই ডেমোক্র্যাট নেতা।

এমআই/

 

মন্তব্য করুন