ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড : অনুমোদন দিলেন রাষ্ট্রপতি
ফাইল ছবি
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন অথবা মৃত্যুদণ্ড করে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০’ অধ্যাদেশের সংশোধনীর অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এর ফলে এখন থেকে ধর্ষণের অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দিতে আর কোনো বাঁধা থাকলো না। তবে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে এ অধ্যাদেশটি বিল আকারে উত্থাপন করে তা আইনে রুপান্তর করতে হবে।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন।
এর আগে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন‘ সংশোধন করে অধ্যাদেশ আকারে জারির জন্য এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। কিন্তু সংসদ অধিবেশন চলমান না থাকায় রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষ্যে সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করলো। তবে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে এই অধ্যাদেশ উপস্থাপন করতে হবে। আইনটি বলবৎ রাখতে চাইলে পরে বিল আকারে তা সংসদে তুলবে সরকার।
প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি এতদিন ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু হলে বা দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ছিল। পাশাপাশি ছিল অর্থদণ্ডের বিধান।
এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপ-ধারায় আগে বলা ছিল, যদি কোনও পুরুষ কোনও নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করে, তাহলে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
কিন্তু এবারের সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, আইনের ৯(১) উপ-ধারার অধীন ধর্ষণের অপরাধের জন্য শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
টাইমস/এসএন