মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ায় চার ফাঁসির আসামি খালাস
প্রতিকী ছবি
সাক্ষ্য প্রদানে ভুলভাল তথ্য দেয়ায় পিরোজপুরের একটি হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অপর তিন আসামিকেও খালাস দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এ মামলায় পিরোজপুরের বিচারিক আদালত চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনেক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।
ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের আবেদন) খারিজ এবং আসামিদের আপিল গ্রহণ করেন বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি এএসএম আবদুল মোবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
আদালতে আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ, শেখ আলী আহমেদ খোকন ও মো. আব্দুর রাজ্জাক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ খান।
আসামি পক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার সময় এ মামলার এক আসামি জেলে ছিলেন। কিন্তু একজন সাক্ষী জেলে থাকা আসামির বিরুদ্ধেও সাক্ষ্য দিয়েছেন। এতে বুঝা যায়, সাক্ষী বিশ্বাসযোগ্য ছিলো না। এ রকম কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া গ্রামের জালাল সরদারের ছেলে বাদল সরদারকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ। ওই ঘটনায় নিহত বাদল সরদারের বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।
২০১৫ সালের ১ জুলাই ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলার চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের শহীদ শিকদার, দুলাল শিকদার, বাদল শিকদার ও নিজাম শিকদার।
এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একই গ্রামের সালাম সরদার, হারুণ শিকদার ও মিনু শিকদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
টাইমস/এসএন