© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দুদকের অনুসন্ধানে আর্থিক খাতের দুর্নীতিকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত: হাইকোর্ট

শেয়ার করুন:
দুদকের অনুসন্ধানে আর্থিক খাতের দুর্নীতিকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত: হাইকোর্ট
own-reporter
০৪:৩৪ পিএম | ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকার অনুমোদিত ২০১২ সালের নীতিমালাকে বৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই নীতিমালার বাইরে গিয়ে সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের কেউ শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারবেন না। দুদকের অনুসন্ধানে আর্থিক খাতের দুর্নীতিকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালাসহ শিক্ষকদের করা কয়েকটি রিটের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও রাজীব আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে শুনানিতে দুদকের পক্ষে অংশ নেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম বলছেন, অ্যামিকাস কিউরিসহ সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে হাইকোর্ট সরকারি স্কুলে কোচিং বাণিজ্য 'অবৈধ' বলে রায় দিয়েছেন।

খুরশীদ আলম বলেন, ফলে দুদক এই বাণিজ্য নিয়ে অনুসন্ধান করেছিল, সেটাকে বৈধ বলে আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছে, পাশাপাশি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের নীতিমালা ২০১২ কে বৈধ বলেছে।

তিনি আরও বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের কোচিং নিয়ে দুদক যে তদন্ত করেছে, সেটাকে হাইকোর্ট এখতিয়ার বহির্ভূত বলেছে। তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং করাতে হলে তাদের নিজস্ব পরিচালনা বোর্ড থেকে অনুমতি নিয়ে এবং আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুসরণ করে করতে হবে।

রায়ের সময় আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের জন্য আরও কয়েকটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন জানিয়েছেন খোরশেদ আলম বলেন, আদালত বলেছে এর চেয়েও আরও অনেক গুরুতর অপরাধ আছে, দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে। যেমন হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে, ভূমি অফিসে দুর্নীতি হচ্ছে, কাস্টমসে দুর্নীতি হচ্ছে, পোর্টে দুর্নীতি হচ্ছে। এগুলোয় কমিশনের বেশি নজর দেয়া উচিত, যদিও এই বিষয়টিও কম গুরুত্বপূর্ণ না।

এর আগে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। দুদকের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ওই নোটিশ দেয় সরকার। পরে ওই নোটিশ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা-২০১২ নিয়ে শিক্ষকেরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। উক্ত রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ রায় দেন আদালত।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন