© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির বিরুদ্ধে করা গ্রামবাসীর তিন মামলা খারিজ

শেয়ার করুন:
ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির বিরুদ্ধে করা গ্রামবাসীর তিন মামলা খারিজ
own-reporter
০৮:২১ পিএম | ১১ এপ্রিল, ২০১৯

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিজিবির গুলিতে তিনজন নিহতের ঘটনায় গ্রামবাসীর করা তিনটি মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার বিচারিক হাকিম আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী নুরুল ইসলাম। একই ঘটনায় আগে বিজিবির করা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ার কথা উল্লেখ করে আদালত এ মামলাগুলো খারিজ করেছে বলে জানান নুরুল ইসলাম।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি হরিপুরের বকুয়া ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রামে বিজিবির গুলিতে তিন গ্রামবাসী নিহত হন।

এ ঘটনায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি নিহত জয়নুলের বাবা নূর ইসলাম, নিহত নবাব উদ্দিনের বাবা নজরুল ইসলাম ও নিহত সাদেকের ভাই আব্দুল বাসেদ বাদী হয়ে পৃথক তিনটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এসব মামলায় ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ (৩৩), বেতনা ক্যাম্পের নায়েক হাবিবুল্লাহ (৩২), নায়েক দেলোয়ার হোসেন (৩০), সিপাহী হাবিবুর রহমান (৩৫), সিপাহী মুরসালিন (৩২), সিপাহী বায়রুল ইসলাম (২৮) ও নায়েক সুবেদার জিয়াউর রহমানকে (৩৫) আসামি করা হয়।

আইনজীবী নুরুল ইসলাম বলেন, আদালতের বিচারক ফারহানা খান ১২ মার্চ এই তিন মামলা আমলে নিয়ে হরিপুর থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দেন এবং ১১ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

নিহতের স্বজনদের মামলার আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি বেতনা বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে হরিপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

একটি মামলায় নিহত নবাব, সাদেকসহ আরও একজনকে আসামি করা হয় এবং আরেকটি মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।

আইনজীবী নুরুল ইসলাম বলেন, বিজিবির বিরুদ্ধে মামলা তিনটি করার আগে একই ঘটনায় হরিপুর থানায় দুইটি মামলা করে বিজিবি। যেহেতে হরিপুর থানায় বিজিবির মামলা দুটি তদন্তাধীন রয়েছে; সে কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত একই ঘটনায় আর কোনো মামলা করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে আদালত গ্রামবাসীর তিনটি অভিযোগ খারিজ করে দেয়।

নিহতদের পরিবারের মামলা খারিজ করে দেয়ায় ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং তারা উচ্চ আদালতে যাবেন বলে নুরুল ইসলাম জানান।

 

 

টাইমস/এসআই

মন্তব্য করুন