© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কোনো কোচিং না করেও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় দেশসেরা সুশোভন

শেয়ার করুন:
কোনো কোচিং না করেও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় দেশসেরা সুশোভন

ছবি: সংগৃহীত

Times Mojo Desk
১২:৩৩ পিএম | ২০ জানুয়ারি, ২০২৫
পড়ালিখার পাশাপাশি চালিয়ে গেছেন খেলাধূলা। দিনরাত এক করে পড়তে পছন্দ করেন না তবুও মেডিকেল ভর্তিপরীক্ষায় সারাদেশে প্রথম স্থান। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হতে তাকে করতে হয়নি কোনো কোচিং। গল্পটি ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার দেশসেরা ছাত্র খুলনার সুশোভন বাছাড় এর।

নিজের নামের মতোই সুশোভিত ফলাফলে বাবা মাকে গর্বিত করেছে সুশোভন। ভর্তিপরীক্ষায় পেয়েছেন ৯০ দশমিক ৭৬ নম্বর। সুশোভন টি অ্যান্ড টি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পাস করেন। ফলাফল প্রকাশের পর থেকে তাঁদের বাড়িতে আনন্দের বন্যা বইছে। বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ তাঁদের বাড়িতে ফুল নিয়ে আসছেন শুভেচ্ছা জানাতে।

কিন্ত এতো শুভেচ্ছা আনন্দে অতিরিক্ত বিকার নেই সুশোভনের গর্বিত বাবার। কারণ তিনি নাকি আগে থেকেই জানতেন ছেলের চান্স হবে। সুশোভনের আত্মবিশ্বাসী বাবা সুভাস চন্দ্র বাছাড় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার ছেলের স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হবে। কিন্তু সে জন্য কোনো কোচিংয়ে তাঁকে পড়ানো হয়নি। বাড়িতে পড়েই সে পরীক্ষা দিয়েছে। পরীক্ষা দিয়ে বলেছিল ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পাবে। সেটাই হয়েছে। প্রথম হবে এটা ভাবিনি। তবে চান্স পাবে জানতাম।’ তিনি বলেন, ছোট থেকে সুশোভন বিভিন্ন ধরনের বই পড়ত।

সুশোভনের বক্তব্য আরো অবাক করা। তিনি বলেন, ‘আমি কখনো টাইম হিসেব করে পড়াশোনা করিনি। রাত জেগে কখনো পড়িনি। এটাকে সাপোর্টও করি না। পড়ার বাইরে খেলাধুলা করতাম। তবে আমি বই পড়া খুব পছন্দ করি। গল্প, উপন্যাস থেকে শুরু করে সায়েনস ফিকশন, থ্রিলার-জাতীয় বই আমার খুব প্রিয়।’

কুয়েটেও হয়েছে চান্স তবে তার পছন্দের পেশা ডাক্তারী। এ বিষয়ে বলেন, ফার্স্ট হওয়া দেখে আমার প্রথমে বিশ্বাস হচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল এটা ভুল। ছোটবেলা থেকেই আমার ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা। এই পেশাটাকে আমার অন্যরকম ভালো লাগে। মনে হতো আমি যদি তাঁদের মতো হতে পারতাম।

সুশোভনদের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নে। থাকেন খুলনা নগরের আজিজের মোড় এলাকায়। তাঁর বাবা সুভাস চন্দ্র বাছাড় খুলনার টি অ্যান্ড টি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক। মা বন্দনাও সেন একসময় শিক্ষক ছিলেন। তবে এখন গৃহিণী। সুভাস চন্দ্র ও বন্দনা সেন দম্পতির একমাত্র সন্তান সুশোভন।

টিএ/

মন্তব্য করুন