© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সৌদি আরব-যুক্তরাষ্ট্রের বরফ গলছে, ট্রাম্প-সালমানের মধ্যে যে কথা হল

শেয়ার করুন:
সৌদি আরব-যুক্তরাষ্ট্রের বরফ গলছে, ট্রাম্প-সালমানের মধ্যে যে কথা হল

ছবি: সংগৃহীত

তাহমিনা তাশরিফ
০৩:০১ পিএম | ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে সৌদি আরব। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নিয়েই সে বিষয়ে দৌড় ঝাপ শুরু করেছেন ট্রাম্প। ফোনে কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে। এসময় দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানান বিন সালমান।

তথ্যটি নিশ্চিত করেছে সৌদি সরকার। তারা জানায়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ও মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে।

এসময়, যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক হারে সৌদি বিনিয়োগ বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন মোহাম্মদ বিন সালমান। কেবল বিনিয়োগই নয়, আগামীতে দুই দেশের বাণিজ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা করেছেন দুই রাষ্ট্র নেতা।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান। তার পক্ষ থেকেও ট্রাম্পের কাছে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছেছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

যুবরাজ সালমান জানান, আগামী চার বছরে ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায় সৌদি আরব।

ইতিহাস বলে, যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরব। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের শাসনামলে সৌদি আরবকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধিতেও সহায়তা করেছে সৌদি আরব।

প্রথম দফায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ২০১৭ সালে ট্রাম্প প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। সে সময় তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছিল সৌদি সরকার। সেবার সৌদি সফরে তরবারি হাতে ট্রাম্পের নাচও বেশ আলোচিত হয়েছিল বিশ্ব অঙ্গনে।

২০১৯ সালে সৌদি আরবে একটি হামলার জেরে ফাটল ধরে সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে। ওই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে সৌদি আরব। এতে সৌদির অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন অর্ধেকে নেমে আসে।

সে হামলার ঘটনায় ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প শক্ত প্রতিক্রিয়া জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন সৌদি যুবরাজ। এর জেরে ওয়াশিংটনের সঙ্গে রিয়াদের সম্পর্কের উষ্ণতায় ভাটা পড়ে। তবে তা সত্ত্বেও ট্রাম্পের জামাতা জেরার্ড কুশনারের ইক্যুয়িটি প্রতিষ্ঠান সৌদি আরবের কাছ থেকে ২০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ পায়।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বেশ সরব ছিলেন। বিশেষ করে ২০১৮ সালে তুরস্কে সৌদির সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যায় সৌদি সরকারের ভূমিকা নিয়ে তোপ দাগেন বাইডেন।

টিএ/

মন্তব্য করুন