© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ট্রাম্পের সাথে বৈঠকে বাংলাদেশ ইস্যুতে কি পেলো নরেন্দ্র মোদি?

শেয়ার করুন:
ট্রাম্পের সাথে বৈঠকে বাংলাদেশ ইস্যুতে কি পেলো নরেন্দ্র মোদি?

ছবি :সংগৃহীত

মুস্তাফিজ আবির
১০:২৩ এএম | ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসায় মোদি ট্রাম্প বন্ধুত্বের সুবাদে সুবিধা পেতে পারে আওয়ামীলীগ। এমন আশায় বুক বেধেছিলো আওয়ামীলীগের অনেকেই। চলেছিলো নানা প্রচারণাও। কিন্ত ট্রাম্প ক্ষমতার চেয়ারে বসেই হুমকি জুড়ে দিলেন ভারতের পণ্যে শুল্ক বাড়ানোর। সর্বশেষ আশা দেখাচ্ছিলো মোদির সাথে ট্রাম্পের বৈঠকে আসতে পারে কিছু ঘোষণা। কিন্ত সেখানেও যোগফল শূণ্য। ট্রাম্পের পাশে বসেই ডক্টর ইউনূসকে ভিডিও কল দিলেন ইলন মাস্ক। আলোচনা আছে ট্রাম্পের সাথে বৈঠকে বসতে জয় শংকরকে দিয়ে তোষামোদ করিয়েছিলেন মোদি। কিন্ত ডক্টর ইউনূসের সাথে ভিডিও কলে কথা বলার ঘটনাটি একেবারে হুট করেই গণমাধ্যমের শিরোনামে।

মোদি ট্রাম্প বৈঠকে আওয়ামীলীগ কিছু না পেলেও ভারত পেলো কি? আলোচিত এই বৈঠকে নরেন্দ্র মোদীর সাথে ট্রাম্পের যে জ্বালানি চুক্তি হয়েছে, একই ধরণের চুক্তি বাংলাদেশের সাথে হয়েছে আগেই। বৈঠক শেষে নিজ দেশেই নিগৃহিত হচ্ছেন মোদি। তার দেশের গণমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে ট্রাম্পের পাশে হাতে শিকল পরা অবস্থায় মোদির ব্যঙ্গচিত্র। মূলত ট্রাম্পের সাথে বৈঠকের পরদিনই ভারতীয় অভিবাসীদের হাতে শিকল পরিয়ে আমেরিকা থেকে বের করে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ দৃশ্য দাগ কেটেছে ভারতীয়দের মনে। তাই কটাক্ষ করা হচ্ছে মোদিকেই। এক জ্বালানি চুক্তি আর কিছু আশ্বাস ছাড়া মোদির ঝুলি যে একেবারেই শূণ্য।

ট্রাম্প মোদির বৈঠকের পর উপহাস করে ফেসবুকে এক পোস্ট দিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। লিখেছেন অথচ ট্রাম্প আসার পর আপার টুপ করে ঢুকে পরার কথা ছিলো। এদিকে এই বৈঠকের দিনে আন্তর্জাতিক মিডিয়া সাথে নিয়ে আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে জুলাই আগস্ট অভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ১৪০০ জন। বিশ্ব মহলে তাই আওয়ামীলীগের গ্রহনযোগ্যতা কতটা থাকবে কিংবা দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ই বা কি তা এখন পুরোপুরি অনিশ্চিত।

মোদি ট্রাম্প বৈঠকে ভারতীয় সাংবাদিক প্রসঙ্গ টেনেছিলেন বাংলাদেশ ইস্যুতে। ট্রাম্প যেনো কৌশলী হয়েই উত্তর দিলেন এখানে। নিজের জায়গা থেকে পরিষ্কার জানালেন আমেরিকা বা ডিপ স্টেটের কোনো হাত ছিলোনা বাংলাদেশের সরকার পতনে। নিজের অবস্থান পরিষ্কার কর বাকি দায় চাপালেন মোদির ওপর। বললেন এ ব্যাপারে মোদির গবেষণা দীর্ঘদিনের। তাই তিনিই ভালো বলতে পারবেন বাংলাদেশ ইস্যুতে। কিন্ত মোদির মুখে বাংলাদেশ ইস্যুতে উচ্চারিত হলোনা কোনোকিছুই। ট্রাম্পের শুল্ক বাড়ানোর হুমকি, অভিবাসীদের তাড়িয়ে দেয়ার প্রেক্ষাপটে মোদির নিজের অবস্থাই যেনো চাচা আপন প্রাণ বাচা।

মন্তব্য করুন