ট্রাম্পের ডিওজিই’র আনুষ্ঠানিক কর্মী নন মাস্ক!
ছবি:সংগৃহীত
০১:৪৬ পিএম | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা নেই ইলন মাস্কের। এমনটিই জনাইয়েছে হোয়াইট হাউস। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি দক্ষতাবিষয়ক বিভাগ-ডি/ও/জি/ই’র কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মী নন মাস্ক।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে জমা দেওয়া নথিপত্রে এসব তথ্য জানায় হোয়াইট হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শপথ নিয়েই একচ্ছত্র ক্ষমতা দেন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ধনকুবের ইলন মাস্ককে। সরকারি বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ভারও মাস্কের হাতে ছেড়ে দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
দেশের সরকারি ব্যয় কমানো এবং কর্মী ছাঁটাইয়ের লক্ষ্যে ক্ষমতায় বসার পর ডি/ও/জি/ই প্রতিষ্ঠা করেছেন ট্রাম্প। গত নভেম্বরে নির্বাচন জয়েরর পরই তিনি বলেছিলেন, ডিওজিইর নেতৃত্ব দেবেন ‘মহান’ ইলন মাস্ককে।
আদালতে নথিপত্র জমা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কার্যালয়ের পরিচালক জশুয়া ফিশার জানান, ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে নিউ মেক্সিকোসহ ১৪টি অঙ্গরাজ্যের মামলা দায়ের হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে নথিগুলো জমা দেয়া হয়েছে।
নথিতে বলা হয়েছে, ইলন মাস্ক হোয়াইট হাউসের একজন কর্মী এবং প্রেসিডেন্টের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। হোয়াইট হাউসের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার মতো মাস্কেরও নিজ থেকে সরকারি সিদ্ধান্ত নেয়ার আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা নেই। তিনি শুধুই প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দিতে পারবেন। তিনি ‘ডিওজিই সার্ভিস’ বা ‘ডিওজিই সার্ভিস টেম্পোরারি অর্গানাইজেশন’–এর কর্মীও নন।
এদিকে ১৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজে ট্রাম্প ও মাস্কের একটি যৌথ সাক্ষাৎকার সম্প্রচার হয়। তাতে ইলন মাস্কই হোয়াইট হাউস চালাচ্ছেন—সমালোচকদের এমন মন্তব্যের কড়া জবাব দিতে দেখা যায় ট্রাম্পকে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, ইতিহাসে আমার চেয়ে বেশি আর কাউকে নিয়ে খারাপ প্রচার–প্রচারণা হয়নি। তবে আমি কী শিখেছি, তা আপনি কি জানেন ইলন? মানুষ স্মার্ট।’ এ সময় ইলন মাস্ক বলেন, ‘হ্যা, আসলেই স্মার্ট।’