© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নিজের বিয়ের নেপথ্যের ঘটনা জানালেন পপি

শেয়ার করুন:
নিজের বিয়ের নেপথ্যের ঘটনা জানালেন পপি

ছবি:সংগৃহীত

শারলিন
০১:৫৫ পিএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
মা চাইতেন না পপি বিয়ে করে সংসারী হোক! পরিস্থিতির চাপে পড়ে অনেকটা প্রান ভয়েই বিয়ে করেছিলেন পপি । সম্পত্তি ও টাকাপয়সা নিয়ে জটিলতা শুরু হল পুরো সময়ে স্বামী আদনান তাকে ছায়ার মতো আগলে রেখেছে। কোনো জটিলতাই স্পর্শ করতে দেননি পপিকে । হাতটা শক্ত করে ধরে বলেছিল, “আমি আছি, নো টেনশন।”

সম্প্রতি পারিবারিক একটি বিষয়ে আলোচনায় আসার পর তিনি মুখ খোলেন নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। দেশের এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পপি জানিয়েছেন, তিনি কেন হঠাৎ করে আড়ালে চলে যান এবং কীভাবে তাঁর জীবন বদলে যায়।

সাক্ষাৎকারে পপি জানান, ২০১৯ সালে তাঁর বাড়িতে একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। বড় অঙ্কের টাকা চুরি হওয়ার পর থানায় জিডি করেন তিনি। এরপর রমনা থানায় ডাকা হলে তাঁর ভাইবোনদের সঙ্গে সেখানে দেখা হয়।

সে দিনের ঘটনা স্মরণ করে পপি বলেন, “সেদিন আদনানকেও থানায় ডাকি। সেখানে গিয়ে দেখি, আমার পরিবারের সবাই একত্রিত হয়েছে। ঘটনাচক্রে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। মনে হলো, আমি কারও কাছেই নিরাপদ নই। আমি সবসময় পরিবার অন্তঃপ্রাণ ছিলাম, অথচ ওই মুহূর্তে আপনজনদেরই যেন অপরিচিত মনে হলো।”

পারিবারিক জটিলতার সেই সময়ে আদনান তাঁকে ছায়ার মতো আগলে রেখেছিলেন বলে জানান পপি। তিনি বলেন, “কোনো জটিলতাই আমাকে স্পর্শ করতে দেয়নি আদনান। শক্ত করে আমার হাত ধরে বলেছিল, ‘আমি আছি, নো টেনশন।’ ওই সময় এমন একজন বন্ধু না পেলে হয়তো আমার জীবনটাই বিপন্ন হয়ে যেত।”

২০২০ সালের দিকে পারিবারিক জটিলতা আরও বেড়ে যায়। তখনই বাসা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন পপি। তিনি বলেন, “মনে হলো, আমাকে মা-বোনেরা বাঁচতে দেবে না। তাই বাসা থেকে বের হয়ে যাই এবং আদনানের সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে পুলিশের সহযোগিতায় আমার জমির দলিল, ব্যাংকের কাগজপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট উদ্ধার করি।”

পরিস্থিতির চাপে পড়েই তাঁরা বিয়ে করতে বাধ্য হন বলে জানান পপি। তিনি বলেন, “২০২০ সালের নভেম্বরে বাসায় কাজি ডেকে বিয়ে করি। আমার আত্মীয়স্বজন উপস্থিত ছিলেন, তবে আমার মাকে ডাকিনি। আমার মা কখনোই চাইতেন না, আমি বিয়ে করে সংসারী হই।”

মন্তব্য করুন