‘ছাত্রলীগকে তথ্য সরবরাহ করতো এমসি কলেজের সেই শিক্ষার্থী’
ছবি: সংগৃহীত
১০:৫৯ এএম | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছেন এমসি কলেজে হামলার শিকার সেই শিক্ষার্থী! চিকিৎসা শেষ না করেই হাসপাতাল ত্যাগ করেন তিনি। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ঐ শিক্ষার্থী নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ছিলো বলেও অভিযোগ উঠেছে।
উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, আহত দুই শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাদের একজন মিজানুর রহমান রিয়াদ ও অন্যজন জাহিদুল ইসলাম হৃদয়। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। বলেন, হৃদয়ের হাত কিছুটা ফুলে গিয়েছিল, তবে এক্স-রেতে কোনো ভাঙা ধরা পড়েনি। আর রিয়াদ সামান্য আহত হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর সে আমাদের না জানিয়েই হাসপাতাল থেকে চলে গেছে।
এ নিয়ে যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম জানান, ছাত্রশিবিরের কলেজ নেতৃবৃন্দ গতকাল সারাদিন ও মধ্যরাত পর্যন্ত তাদের এই আয়োজন নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। সেখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কর্মী ও বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া কর্মীর মধ্যে যে ঘটনা ঘটেছে, তার সাথে ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততা নেই।’
এদিকে, যে ব্যক্তি আহত অবস্থায় ছাত্রশিবিরের ওপর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন, পূর্ব থেকেই তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে সহযোগিতা ও তথ্য সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে, আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হলেও চিকিৎসা সম্পন্ন করেননি তিনি। এর আগেই হাসপাতাল ছেড়ে গিয়েছেন তিনি।
চিকিৎসক জানিয়েছেন, পায়ের রগ কাটার মতো কোনো চিহ্ন পাননি তারা। রগ কাটার মত বড় ইস্যু নিয়ে কোনো বক্তব্যও চিকিৎসকরা দেননি। হৃদয়ের যে পায়ে আঘাত লেগেছে, সেটির যথাযথ চিকিৎসা করা হয়েছে। যদিও সেটি খুব গুরুতর নয়। তবে চিকিৎসা শেষ না করেই হৃদয় চলে গেছে বলে জানানো হয়েছে।