সুযোগ পেলে সবার আগে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজ করবে বিএনপি : তারেক রহমান
ছবি:সংগৃহীত
০৫:২১ পিএম | ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
জনগণের সমর্থনে দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে মাতৃভূমিকে পুনর্গঠন, রাষ্ট্রকাঠামোকে মেরামত করাই হবে বিএনপির প্রধান কাজ, বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, দলকে শক্তিশালী করা ও পুনর্গঠন করাই এখনকার প্রধান কাজ। এছাড়াও দলকে পুনর্গঠন করতে ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দিতে হবে।’
আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়রি) দুপুরে যশোর জেলা বিএনপির সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে তারেক রহমান বলেন, যে কাজ সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়, তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করি।’
সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দয়া করে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবেন না। অন্যায়ের ব্যাপারে বিএনপি তার অবস্থান পরিষ্কার করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ সমর্থন করে না— বিএনপি এমন কাজ না করার নীতিতে চলে। তা সত্ত্বেও লাখ লাখ নেতাকর্মীর মধ্যে কিছু লোক হয়তো এমন কিছু কাজ করছে, যা নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য না। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিএনপিই একমাত্র দল, যারা এই অন্যায়কারী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।
অনেকে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের কথা বলছেন। এগুলো হয়তো প্রয়োজন। কিন্তু যখন স্বৈরাচারী শাসক দীর্ঘসময় ধরে রাষ্ট্রক্ষমতা জোর করে দখল করে ছিল, তখন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বিএনপি ৩১ দফা প্রস্তাব এনেছে। তখন কিন্তু এসব সুন্দর সুন্দর কথা আমরা শুনিনি।’
তারেক রহমান বলেন, বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা। এই সম্মেলনে আগত প্রায় সব কাউন্সিলরের নামে বহু মিথ্যা মামলা রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিএনপি ও আরো কিছু গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে লড়াই চালিয়ে গেছে। অসংখ্য নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করত, স্বৈরাচারের পতন হবে, তারা বিতাড়িত হবে।
এদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় যশোর জেলা বিএনপির সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান। পরে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, দেশে শিগগির জাতীয় নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হবে। সংকটকালে বিএনপি দেশের মানুষের পাশে থাকে। তাই বিএনপিকেই মানুষ সমর্থন দেয়।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির বিদায়ি আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম। এবারের কাউন্সিলে সভাপতি পদে নির্বাচন করার কথা থাকলেও তিনি শেষ মুহূর্তে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে অনীহা প্রকাশ করেন।