© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গাজায় ধ্বংসস্তূপে প্রতিদিনই মিলছে মরদেহ , বেড়েই চলেছে নিহতের সংখ্যা

শেয়ার করুন:
গাজায় ধ্বংসস্তূপে প্রতিদিনই মিলছে মরদেহ , বেড়েই চলেছে নিহতের সংখ্যা

ছবিঃ সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:২৫ এএম | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে প্রতিদিনই উদ্ধার করা হচ্ছে মরদেহ, বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। সম্প্রতি সেখানে আরও পাঁচজনের মরদেহ পাওয়া গেছে, ফলে মোট প্রাণহানি প্রায় ৪৮ হাজার ৩৫০ জনে পৌঁছেছে।

দীর্ঘ ১৫ মাস পর গত মাসে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে বলে সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যকর্মী ও উদ্ধারকর্মীরা গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে আরও ৫ জনের লাশ উদ্ধার করেছেন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৪৮ হাজার ৩৪৬ জনে পৌঁছেছে বলে সোমবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় দুজন ফিলিস্তিনি মারা গেছেন এবং তারাও প্রাণহানির এই সংখ্যার মধ্যে রয়েছেন। এছাড়া ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের আগ্রাসনে আহত হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ৭৫৯ জন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকলেও উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

গাজায় গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তিন-পর্যায়ের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে বন্দি বিনিময় এবং স্থায়ী শান্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছিল।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

মন্তব্য করুন