আন্তঃ আটলান্টিক জোট ভাঙ্গনের শঙ্কা, ট্রাম্প-ম্যাঁখোর জরুরি বৈঠক
ছবি:সংগৃহীত
১১:৩৮ এএম | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের অবসান চাওয়া মানে ইউক্রেনের আত্মসমর্পণ নয়। এমনই সতর্কবার্তা দিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাঁখো। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে এসব কথা বলেন ম্যাঁখো।
আন্তঃ আটলান্টিক জোটের ভাঙনের আশঙ্কার মধ্যেই ট্রাম্পের সঙ্গে ২৪ ফেব্রুয়ারি বৈঠক করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। জানান, এ আলোচনা ইউরোপীয় দেশগুলোকে সামনে এগোনোর পথ দেখিয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের তিন বছর পূর্তিতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে মাখোঁর ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দুই নেতা বলেন, ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী পাঠানোর যে ধারণা, তাতে অগ্রগতি হয়েছে। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের তরফে কিয়েভের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার ওপর জোর দেন ম্যাখোঁ। সম্প্রতি কিয়েভে ইউরোপের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ভলোদিমির জেলেনস্কি চলতি বছরই যুদ্ধের অবসান চান। রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানান শান্তি প্রতিষ্ঠার।
ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের এ আহ্বানের ধারাবাহিকতায় এবং রাশিয়ার অবস্থানের প্রতি ট্রাম্পের ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ম্যাখোঁ। ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে এ দিনই জাতিসংঘে রাশিয়ার পাশে দুই দফায় অবস্থান নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ঐতিহাসিক মিত্র হিসেবে পরিচিত প্রতিবেশী ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন চালানো নিয়ে মস্কোর কোনো নিন্দাও জানায়নি তারা।
ট্রাম্পের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ম্যাখোঁ বলেন, ‘এই শান্তির অর্থ ইউক্রেনের আত্মসমর্পণ নয়।’ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আবার যোগাযোগ শুরু করার পেছনে ট্রাম্পের ‘যৌক্তিক কারণ’ আছে বলেও মন্তব্য করেন ম্যাখোঁ। তবে তিনি বলেন, ইউক্রেনে ইউরোপীয় দেশগুলোর শান্তিরক্ষী পাঠানোর যেকোনো উদ্যোগ ওয়াশিংটনের ‘সমর্থন’ করা গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যাখোঁ আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার পর আমি পুরোপুরি বিশ্বাস করি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব। এখনও সামনে এগোনোর পথ আছে।’