© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম উদ্বোধন করলেন আসিফ মাহমুদ

শেয়ার করুন:
শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম উদ্বোধন করলেন আসিফ মাহমুদ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৫৩ পিএম | ০৬ মার্চ, ২০২৫
ছাত্রলীগের নির্যাতনে নিহত কুষ্টিয়ার বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের নামে নামকরণকৃত কুষ্টিয়ার নতুন নির্মিত সাড়ে ৮ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে নবনির্মিত এই স্টেডিয়াম মাঠে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এটির উদ্বোধন করেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

এর আগে ১৯৭৯ সালে কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস এলাকায় প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামটি ২০২০ সালে নাম বদলে শেখ কামাল স্টেডিয়াম করা হয়েছিল। এরপর পুরনো স্টেডিয়াম ভেঙে ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় দৃষ্টিনন্দন এক নতুন স্টেডিয়াম।

তখন নির্মাণাধীন এই স্টেডিয়ামটি নিহত বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের নামে নামকরণের দাবি উঠলে গত বছর নভেম্বরে কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামকে নতুন নাম শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম নামে নামকরণ করে। উদ্ধোধনের অপেক্ষায় থাকা আধুনিক মানের এই স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন করার পর পূর্ণতা পেল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘আবরার ফাহাদ শুধু একটি নাম নয়, আবরার ফাহাদ আমাদের আগ্রাসনবিরোধী লড়াইয়ের একটা জার্নি। সেই জার্নির অন্যতম অর্জন হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এ দেশের তরুণরা জীবন দেওয়ার প্রেরণা পেয়েছে আবরার ফাহাদের কাছ থেকে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আগ্রাসন থেকে মুক্তির জন্য এ দেশের তরুণরা ঝাঁকে ঝাঁকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল রাজপথে এবং অবশেষে আমরা আগ্রাসন শক্তির বাংলাদেশীয় সবচেয়ে বড় খুঁটি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ থেকে পালাতে বাধ্য করতে সক্ষম হয়েছি। সেই আবরার ফাহাদের নামে কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামের নাম হওয়া এই এলাকার তরুণরা বেশি বেশি করে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে সম্মান অর্জন করবে বলে আমার বিশ্বাস।’

এই অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা বরকতউল্লাহ ও মা রোকেয়া খাতুন বক্তব্য দেন।

মন্তব্য করুন