কেন গণমাধ্যমের সামনে কেঁদে ফেললেন জাস্টিন ট্রুডো
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৫৫ পিএম | ০৭ মার্চ, ২০২৫
প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন জাস্টিন ট্রুডো। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাস্টিন ট্রুডোর মেয়াদ শেষের দিকে। ১০ বছর ধরে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। জানুয়ারিতেই তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
আগামী ৯ মার্চ লিবারেল পার্টির নতুন নেতা নির্বাচিত হবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তার আগে ৬ মার্চ কানাডার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের ১০ বছরের সময়কালের স্মৃতিচারণা করছিলেন ট্রুডো। সেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির মধ্যেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের দৈনিক ১০ ডলার শিশু যত্ন নীতি নিয়ে কথা বলার সময় সাংবাদিকদের সামনেই কাঁদতে শুরু করেন।
ট্রুডো বলেন, আমি কানাডার প্রধানমন্ত্রীর অফিসে যত দিন ছিলাম, ব্যক্তিগত স্তরে সবসময় দেশকে, দেশের মানুষকে আগে রেখেছি। এই শেষ সময়েও আমি বলতে চাই, কানাডিয়ানদের আশাহত করব না। এসব কথা বলতে বলতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ট্রুডো। ছলছল করে ওঠে তার চোখ।
তিনি আরো বলেন, রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ, মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং ট্রাম্পের শাসনকাল পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক প্রসঙ্গে কানাডা কোনোভাবেই পিছু হটবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ট্রুডো। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য কর সম্পূর্ণরূপে তুলে নিতে ওদের বাধ্য করা। তার জন্য আমাদের আরও কঠোর হতে হবে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে কানাডার ওপর বাড়তি শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি আসছে। কানাডা এবং মেক্সিকোর ওপর প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলেন ট্রাম্প। পরে তা স্থগিত রাখা হয়। ট্রুডো সেসব কথা বলতে গিয়ে জানান, সবসময় তিনি কানাডার স্বার্থকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। কানাডাকেই আগে রেখেছেন নিজের সব সিদ্ধান্তে।
যদিও কানাডা ও মেক্সিকোর বেশ কিছু পণ্যে শুল্ক আপাতত অব্যাহতি দেয়ার আদেশে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মেক্সিকোর পণ্যের ওপর যে শুল্ক চাপানো হয়েছিল, তা এক মাসের জন্য স্থগিত রাখার কথা আগেই জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এবার কানাডার ক্ষেত্রেও একই নীতি নিয়েছেন তিনি। এর ফলে ,আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত মেক্সিকোর পাশাপাশি কানাডার পণ্যের ওপর থেকেও অতিরিক্ত শুল্ক নেয়া হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এসএম/টিএ