© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শিক্ষকের ওপর হামলা: মামলায় নাম নেই নির্দেশদাতার

শেয়ার করুন:
শিক্ষকের ওপর হামলা: মামলায় নাম নেই নির্দেশদাতার
central-desk
০৯:২৪ পিএম | ১৬ মে, ২০১৯

পাবনা সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজের শিক্ষক মাকসুদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ এস এম আব্দুল কুদ্দুস। তবে মামলায় প্রধান অভিযুক্ত কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি শামসু্দ্দীন জুন্নুনকে আসামি করা হয়নি। হামলার শিকার ওই শিক্ষক এর আগে ছাত্রলীগ সভাপতিকে হামলার নেতৃত্ব দানকারী হিসেবে অভিযোগ করেন।

গত ১২ মে কলেজের মূল ফটকের ভেতরে দুষ্কৃতিকারীদের হামলার শিকার হন শিক্ষক মাকসুদুর রহমান। তিনি ৩৬ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে ওই কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। তার দাবি এইচএসসি পরীক্ষা নকলে বাধা দেয়ার জের ধরে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির পরোক্ষ হুকুমে ছাত্রলীগের কতিপয় সন্ত্রাসী তাকে মারধর করে।

ওই মার ধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গত ১৫ মে রাতে কলেজের অধ্যক্ষ বাদি হয়ে পাবনা সদর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় দুইজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়। মামলার পর ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত দুই আসামি সজল ইসলাম ও শাফিন শেখকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ সভাপতিকে বাদ দিয়ে মামলা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষকও। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, ৬ মে এইচএসসি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন কালে তিনি পরীক্ষার হলে দুই ছাত্রীকে নকল করা থেকে বিরত রাখেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই দুই ছাত্রী কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতিকে জানায়। এরপর ১২ মে তার উপর হামলা চালানো হয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি জুন্নুন এ হামলার নির্দেশ দেন। ওই দুই ছাত্রী জুন্নুনের পরিচিত। হামলার সময় জুন্নুন, ‘ধর শালারে, ধর- বলে নির্দেশ দেন।

কোনো একটি মহলের চাপে কৌশলে তাকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 

তবে ছাত্রলীগ সভাপতির দাবি হামলাকারীরা বহিরাগত। হামলার সময় পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকেও ছাত্রলীগের কর্মীরা এসেছিল।

এ বিষয়ে শিক্ষক মাকসুদুর রহমান জানান, অধ্যক্ষ যেভাবে মামলা করেছেন তাতে তিনি সন্তুষ্ট নন। তিনি ভিন্ন কোনো চিন্তা করবেন।

হামলার সময় ঘটনাস্থলে নিজে উপস্থিত না থাকায় ছাত্রলীগ সভাপতিকে মামলায় আসামী করা হয়নি জানিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ এস এম আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ওই মামলায় দুইজনকে আসামী করা হয়েছে। আমি যেহেতু সরাসরি দেখিনি তাই শামসুদ্দীন জুন্নুনের নাম দেইনি। হামলার তিনটি ভিডিও ফুটেজ পুলিশকে দেওয়া হয়েছে তারা দেখে ব্যবস্থা নেবে।

 

টাইমস/এমএস

 

মন্তব্য করুন