সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরির সব গ্রেডে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে ৯৩ শতাংশ। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে।
কোটার প্রয়োগ পদ্ধতির পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রণয়নে ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে মন্ত্রণালয়।
কমিটির প্রধান করা হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি) এবং সদস্যসচিব উপসচিব (বিধি-১)। অন্যান্য সদস্যরা হলেন— প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্মকমিশন ও লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধি। কমিটিকে আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশ সম্বলিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, গত বছর কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এক পর্যায়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন শেখ হাসিনার পদত্যাগের আন্দোলনে রূপ নেয়। এর আগে, ২৩ জুলাই আপিল বিভাগের রায়ের ভিত্তিতে পতিত সরকার কোটা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরির সব গ্রেডে সরাসরি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে। বাকি পদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে যা এখনো বিদ্যমান।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। সরকার গঠনের সাড়ে ৭ মাসের মাথায় এ সংক্রান্ত কমিটি গঠন করলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
এফপি/টিএ